Four Moons Spotted: রাতের আকাশে উঠল চারটে চাঁদ! অদ্ভূত দৃশ্য দেখে হতভম্ব সকলে! সত্যিটা কি?
নাসার মতে, চাঁদ থেকে তাদের ২২ ডিগ্রি বা তার বেশি কোণে দেখা যায়। উজ্জ্বল চন্দ্র ডিস্কের তুলনায়, প্যারাসেলিনা ক্ষীণ এবং চাঁদ নিচু হলে সহজেই দেখা যায়।

নয়া দিল্লি: আকাশ ছেয়ে গেল রহস্যময় আলোতে। এক বিরল ঘটনায়, রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের স্থানীয়রা চারটি চাঁদ দেখে অবাক হয়ে গেলেন। রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে সেই ছবি। সেখানে দেখা গিয়েছে, পৃথিবীর একটি উপগ্রহের বদলে আকাশে চারটি উপগ্রহ। একাধিক চাঁদের এই দৃশ্য স্থানীয়দের মধ্যে ভুতুড়ে ধারণা তৈরি করেছে।
বিজ্ঞানের ভাষায় এটি একটি মক মুন। মেঘের মধ্যে পাতলা, ষড়ভুজাকার, প্লেট-আকৃতির বরফের স্ফটিকের মধ্য দিয়ে প্রতিসৃত চাঁদের আলো প্রতিসরণ হয়। এটি একটি বায়ুমণ্ডলীয় অপটিক্যাল ঘটনা যেখানে চাঁদের পাশে উজ্জ্বল দাগ বা "মক মুন" দেখা যায়, যা সিরাস বা সিরোস্ট্র্যাটাস মেঘের উচ্চ-উচ্চতার ষড়ভুজাকার বরফের স্ফটিকের মধ্য দিয়ে আলো প্রতিসৃত হওয়ার কারণে ঘটে।
নাসার মতে, চাঁদ থেকে তাদের ২২ ডিগ্রি বা তার বেশি কোণে দেখা যায়। উজ্জ্বল চন্দ্র ডিস্কের তুলনায়, প্যারাসেলিনা ক্ষীণ এবং চাঁদ নিচু হলে সহজেই দেখা যায়।
এর আগে রাশিয়ার সাকহালিন দ্বীপে ঘটেছে অদ্ভুত এক ঘটনা। একই সময়ে আকাশে দেখা গেছে দুটি সূর্য। দ্বীপটির মানুষ এমন দৃশ্য থেকে অবাক হয়ে গেছেন। অদ্ভুত দৃশ্যকে ক্যামেরায় ধরেও রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, এটি একটি প্রাকৃতিক ঘটনা। একে ‘সান ডগ’ নামে বলা হয়।
বিশেষজ্ঞরা জানান, এটি সানডগ। বায়ুমণ্ডলীয় অপটিক্যাল ইফেক্ট। সানডগকে কখনও কখনও মক সান বা পারহেলিয়া বলা হয়। এটিকে সূর্যের পাশে উজ্জ্বল আলোর ছায়া বা দাগের মতো দেখা যায়। যা কখনও বামপাশে, কখনও ডানপাশে এবং মাঝে মাঝে দুই পাশে দেখা যায়।
তাদের বলছেন, এটা একটি ভ্রম। মূলত ওই অঞ্চলের তাপমাত্রা এতটা কমে গেছে যে বাতাসে বরফের স্ফটিক তৈরি হয়েছে। সেই কারণে সূর্য একাধিক স্থানে দেখা দিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, আকাশে একটি সূর্যই ছিল।
অন্যদিকে বেশ কিছুদিন আগে, রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরের উত্তরের আকাশ যেন হঠাৎ করেই বদলে গেল। রাতের অন্ধকার চিরে মাটি থেকে সোজা উঠে গেল বিশাল বিশাল আলোর স্তম্ভ। দূর থেকে তাকালে মনে হচ্ছিল, কোনও সায়েন্স ফিকশন ছবির দৃশ্য - বরফে জমে থাকা লেজার রশ্মি যেন আকাশ ভেদ করে উঠে যাচ্ছে। মুহূর্তের মধ্যেই সেই দৃশ্যের ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিস্ময় আর কৌতূহলে ভরে ওঠে নেটদুনিয়া। অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন, এ কি কোনও অজানা প্রাকৃতিক সঙ্কেত, না কি নিছকই চোখ ধাঁধানো আলোর খেলা?






















