(Source: Poll of Polls)
Goa Club Fire : সামনে আগুন, পালাবার পথ নেই, মৃত্যু নিশ্চিত ! এমন পরিস্থিতি থেকে কীভাবে বাঁচলেন বেলি-ডান্সার? গা-শিউরে ওঠা বর্ণনা
খনও সেই ঘটনার কথা মনে পড়়লে কেঁদে ফেলছেন তিনি। হাত কাঁপছে থরথর করে। কাজাখস্তানের নৃত্যশিল্পী ক্রিস্টিনা জানালেন ...

গোয়া: দাউ দাউ আগুন। নাইটক্লাবের চারপাশে জল। মাঝে ক্লাব। শনিবাসরীয় সন্ধেয় উত্তাল পার্টিতে মেতেছেন সকলে। সেখানেই পারফর্ম করছিলেন কাজাখস্তানের ক্রিস্টিনা। তাঁর লাস্যে, ছন্দে তখন সকলে মাতোয়ারা। তারই মধ্যে হঠাৎই তাঁর মাথার ওপর দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে আগুন। প্রথমটায় টেরই পাননি ক্রিস্টিনা। কিন্তু সামনের মানুষগুলো যখন চিৎকার করে ওঠে, তখনই তিনি তাকিয়ে দেখেন মাথার ওপর আগুন। কোথায় যাব, কোনদিকে পালাব, বুঝে পাচ্ছিলেন না। ভেবেছিলেন , সামনে দাঁড়িয়ে সাক্ষাৎ মৃত্যু। বারবার মনে পড়ে যাচ্ছিল ঘরে থাকা ছোট্ট মেয়েটার মুখ। আতঙ্কের সেই অভিজ্ঞতার কথা তিনি ভাগ করে নিলেন ইন্ডিয়া টু-ডে টিভির সঙ্গে। গোয়ার আরপোরার নাইটক্লাবের সেই ভয়াবহ সন্ধে তিনি ভুলবেন না কখনও। এখনও সেই ঘটনার কথা মনে পড়়লে কেঁদে ফেলছেন তিনি। হাত কাঁপছে থরথর করে। কাজাখস্তানের নৃত্যশিল্পী ক্রিস্টিনা ইন্ডিয়া টুডে-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, তিনি যে বেঁচে আছেন, তার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ একজন ক্রু সদস্যের কাছে।
তখন ক্রিস্টিনার দ্বিতীয় পারফর্ম্যান্স চলছিল। তখনই সম্ভবত শর্ট সার্কিটের ফলেই আগুন লাগে। চ্যাঁচামেচিতে কার্যত বাকরুদ্ধ হয়ে যান তিনি। কী করবেন মোটেই বুঝতে পারছিলেন না। সবার আগে বেরোনোর রাস্তা খুঁজতে থাকেন। কিন্তু এই পোশাকে কোথায় যাবেন ? "বেরিয়ে আসার পথ খুঁজতে শুরু করলাম মনে হয়েছিল, গ্রিনরুমে ছুটি । আমি কেবল কাঁদছিলাম, আমার হাত এখনও কাঁপছে " । ইন্ডিয়া টুডে টিভির সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে, নৃত্যশিল্পী বলেন, ক্লাবে আগুন ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে নাইটক্লাবের ডিরেক্টর এবং কর্মীরা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করেন। অতিথিদের বের করে আনার চেষ্টা করেন। "মানুষ প্রস্থানের দিকে দৌড়াতে শুরু করে। হোটেল কর্মীরা সাহায্য করেছিল। লোকেরা একে অপরকে সাহায্য করেছিল.. কিন্তু..."
ক্রিস্টিনা জানান, তিনি কার্যত অল্পের জন্যই বেঁচে গিয়েছেন। তার কারণ একটা সতর্কবার্তা। তিনি পোশাক পরিবর্তনের জন্য গ্রিন রুমের দিকে ছুটে যান। তখন একজন ক্রু সদস্য তাঁকে থামিয়ে দেন।তাঁরপ্রথম টার্গেট ছিল পোশাক পরিবর্তন করতে যাওয়া। কিন্তু তখন একজন কর্মীই তাঁকে থামান। বলেন, 'ওখানে যাবেন না।' আগুন তখন গ্রিন রুমেও ছড়িয়ে পড়েছে । ওখানে যেতে না-দেওয়ায় আমার জীবন বাঁচল।" বাড়ি ফিরে আসার পর, তিনি যেন বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না, বেঁচে গিয়েছেন। ক্রমেই গ্রাস করছিল আতঙ্ক। "বাড়িতে এসে আমার মেয়েকে জড়িয়ে ধরলাম..." বলতে বলতে আবারও কেঁদে ফেললেন তিনি।
সেরা শিরোনাম























