Love Affairs: ভাড়াটের সঙ্গে পরকীয়া, আমোদ-প্রমোদ স্ত্রীর! রাগের বশে মুখ বেঁধে জ্যান্ত পুঁতে দিলেন স্বামী!
Haryana Man Buries Tenant Alive: গতবছর ২৪ ডিসেম্বর জগদীপকে অপহরণ করেন হরদীপ ও তাঁর দুই বন্ধু। এরপর দূরের একটি গ্রামের মধ্যে সাত ফুট গভীর গর্তে, জগদীপকে হাত, পা, মুখ বেঁধে ফেলে দেন।

নয়া দিল্লি: মাটি খুঁড়েই চলেছিল পুলিশ। অবশেষে দেহ মিলল প্রায় ৭ ফুট নিচের গর্তে। ভাড়াটে যুবককে জ্যান্ত পুঁতে দিয়েছিলেন তারই বাড়িওয়ালা। ফাঁকা বাড়িতে কিছুদিন কথা বলার পরেই প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন স্ত্রী ও ভাড়াটে যুবক। এমনকী বাড়িওয়ালার অবর্তমানে যৌনতায় লিপ্ত হন দু'জনে। মাস কয়েক পরেই টের পান বাড়িওয়ালা। এরপরই ওই বাড়িওয়ালা যা করেন তা জানতে পেরে শিউরে ওঠে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে ঘটেছে হরিয়ানার রোহতকে। পুলিশ জানিয়েছে, জগদীপ নামের যুবক স্থানীয় একটি কলেজের যোগ-প্রশিক্ষক ছিলেন। হরদীপের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তিনি। হরদীপের স্ত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল তাঁর। বিষয়টি জানাজানি হতেই জগদীপকে খুনের পরিকল্পনা করেন হরদীপ। তাও আবার কয়েকজন বন্ধুর সাহায্য নিয়ে।
গতবছর ২৪ ডিসেম্বর জগদীপকে অপহরণ করেন হরদীপ ও তাঁর দুই বন্ধু। এরপর দূরের একটি গ্রামের মধ্যে সাত ফুট গভীর গর্তে, জগদীপকে হাত, পা, মুখ বেঁধে ফেলে দেন। তারপর মাটি চাপা দিয়ে পালিয়ে যান। খুনের দশদিন পরেই জগদীপের নিখোঁজ ডায়েরি করা হয় থানায়। কিন্তু তল্লাশি অভিযানে নেমে কোনও খোঁজ মেলে না তাঁর।
পুলিশ জানিয়েছে, রোহতকের বাসিন্দা ৪৫ বছর বয়সী জগদীপ বাবা মস্তনাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করতেন এবং গত তিন বছর ধরে জনতা কলোনির কমলার ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। অভিযুক্তরা হলেন পেইন্টাওয়াসের বাসিন্দা হরদীপ (৩৬) এবং কৃষক ধর্মপাল (৫৮)। তিনি একজন শ্রমিক।
হরদীপের ফোনের কল রেকর্ড খতিয়ে দেখে পুলিশ। সন্দেহ হতেই তাঁকে আটক করে জেরা শুরু। পাশাপাশি হরদীপের আরও এক বন্ধুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। দীর্ঘ জেরার পর দু'জনেই খুনের ঘটনাটি স্বীকার করে নেন। খুনের তিন মাস পর সেই গ্রামে গিয়ে গর্ত খুঁড়ে দেহটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
৪০ বছর বয়সী রাজকরণ, যিনি কমলার মেয়ে দীপার সাথে বিবাহিত ছিলেন, জগদীপের সঙ্গে তার স্ত্রীর বন্ধুত্বের বিষয়ে সন্দেহ করেছিলেন। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন যে তিনি গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর চরখি দাদরি জেলার তার নিজ গ্রাম পেন্টওয়াসে দুই ব্যক্তির সহায়তায় একটি পুকুরের কাছে গর্তটি খনন করেছিলেন। তারা রোহতকে জগদীপের বাড়িতে পৌঁছে তাকে মারধর করে এবং একটি গাড়িতে করে পেন্টওয়াসে নিয়ে যায় যেখানে তারা তাকে জীবন্ত পুঁতে দেয়।






















