Iran War : যুদ্ধ এবার শেষ? ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে বিরাট বার্তা ট্রাম্পের
“মধ্যপ্রাচ্যে চলা সংঘাত নিয়ে আবারও বড় মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফ্লোরিডায় সাংবাদিক বৈঠকে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হতে পারে।”

Iran War News: ১০দিনে পড়ল পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ। ক্রমেই রক্তক্ষয়ী হয়ে উঠছে সংঘাত। তার অভিঘাত পড়তে শুরু করেছে সারা বিশ্বে। বাহরিনে তেল শোধনাগার, নৌ ঘাঁটিতে পরপর হামলা চালিয়েছে তেহরান। পাল্টা ইরানের তেল শোধনাগারে ইজরায়েল এয়ারস্ট্রাইক করেছে। এরই মধ্যে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগে তিনি বলেছিলেন, এ যুদ্ধ দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হতে পারে। কিন্তু এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ( Donald Trump ) ফ্লোরিডায় এক সাংবাদিক বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন। ট্রাম্পের দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ইতিমধ্যেই বড় লক্ষ্য অর্জন করেছে। যা পরিস্থিতি, তাতে ইরান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হতে পারে। যদিও তিনি নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ করেননি তিনি।
ফ্লোরিডায় সাংবাদিক বৈঠকে কী বললেন ট্রাম্প?
ফ্লোরিডায় অনুষ্ঠিত সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানের প্রধান উদ্দেশ্যই ছিল সে-দেশের সামরিক ক্ষমতাকে ভেঙেচুরে শেষ করে দেওয়া। ট্রাম্পের দাবি, সেই লক্ষ্য অনেকটাই পূর্ণ হয়েছে। তবে ট্রাম্প সতর্ক করে দেন, যদি আবার সংঘাত শুরু হয়, তাহলে ইরানের উপর আরও কঠোর সামরিক হামলা হতে পারে। এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোড়ন তৈরি করেছে।
তবে কি যুদ্ধ শেষ ?
ইরানের রাজনৈতিক পরিস্থিতিও এখন অস্থির। আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর ইরান বেছে নিয়েছে তাদের নতুন নেতাকে। তাদের নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেই ( Mojtaba Khamenei )। ট্রাম্প কিন্তু এই সর্বোচ্চ নেতা নিয়োগ নিয়েও একটুও খুশি নন। তাঁর মতে, এই সিদ্ধান্তে ইরানের নীতিতে বড় কোনো পরিবর্তন আসবে না এবং আগের মতোই সমস্যাগুলো চলতে পারে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলি খামেনেই নিহত হন। এই ঘটনার পর থেকেই পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে যায় এবং ইরান ও পশ্চিমের শক্তির মধ্যে সংঘাত নতুন মাত্রা পায়। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তা শুধু পশ্চিম এশিয়া নয়, পুরো বিশ্বের অর্থনীতি ও কূটনীতির উপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। শেষ করে তেলের দাম বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা মানুষকে সরাসরি সমস্যায় ফেলবে। এই পরিস্থিতিতে কি যুদ্ধ শেষ করতে চাইছে আমেরিকা? ইরানের শক্তি কি সত্যি শেষ ? এবার কি সত্যিই সংঘাতে দাঁড়ি টানবে তারা?























