Sukanta Majumdar : দত্তাবাদকাণ্ডে BDO-র বিরুদ্ধে পদক্ষেপ চেয়ে পোস্ট সুকান্তর, 'মমতার নৈরাজ্যে শাসনে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হচ্ছে..'
Sukanta Majumdar On Dattabad BDO দত্তাবাদকাণ্ডে সরব কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

কলকাতা: দত্তাবাদকাণ্ডে BDO-র বিরুদ্ধে পদক্ষেপ চেয়ে পোস্ট সুকান্ত মজুমদারের। তিনি বলেছেন,'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নৈরাজ্যে শাসনে প্রতিদিন আইনশৃঙ্খলার অবনতি হচ্ছে। কিন্তু উত্তরবঙ্গের এক BDO-র বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক তৈরির জন্য এটা যথেষ্ট। একজন সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে অপহরণ-খুনের অভিযোগ উঠেছে। এক উচ্চপদস্থ অফিসার কীভাবে অপরাধীদের মতো আচরণ করতে পারেন? অবিলম্বে কড়া পদক্ষেপ ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত', দত্তাবাদকাণ্ডে সরব কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।
আরও পড়ুন, SIR ফর্ম বিলির সময় আক্রান্ত বিরোধী BLO-রা !
দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে নতুন তথ্য। এই ঘটনায় এবার মুখ খুললেন অশোক কর নামে এক ব্য়ক্তি। তাঁর দাবি, BDO-র বাড়ি থেকে সোনা চুরি করেছিলেন তিনি। সেজন্য় তাঁকে এবং স্বর্ণ ব্য়বসায়ীকে BDO-র উপস্থিতিতে মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন অশোক কর। যদিও, BDO সব অভিযোগই অস্বীকার করেছেন।স্বর্ণ ব্য়বসায়ীকে অপহরণ এবং খুনের মতো মারাত্মক অভিযোগে নাম জড়িয়েছে জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের BDO প্রশান্ত বর্মণের।
সাড়া ফেলে দেওয়া এই ঘটনা নিয়ে, এবার চাঞ্চল্য়কর দাবি করলেন অশোক কর নামে এই ব্য়ক্তি! স্বপন কামিল্য়া নামে নিহত স্বর্ণ ব্য়বসায়ীর ভগ্নীপতির দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ ছিল, আমার বোনের বরের দোকানের মালিক গোবিন্দ বাগ, আমার বোনকে ফোন করে বলে যে, প্রশান্ত বর্মন নামে একজন BDO আমার বোনের বরের খোঁজে, নাকি তাঁর দোকানে এসেছে, কারণ হিসাবে বলে যে, ওই BDO-র বাড়ি থেকে চুরি যাওয়া সোনার জিনিস নাকি আমার বোনের বরের দোকানে বিক্রি করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয় যে, দুটি গাড়ি করে, যার মধ্যে একটি সাদা ও একটি কালো, নীল বাতি লাগানো, পাঁচ-ছয় জন লোক দোকানের সামনে আসে, যার মধ্যে একজন নিজের পরিচয় দেন যে, তিনি BDO এবং তার নাম প্রশান্ত বর্মন। ফোনে কিছু কথা বলার আগেই, ওরা আমার বোনের বরকে ও দোকানের মালিককে গাড়িতে তুলে নিয়ে চলে যায়।BDO শুরুতে দাবি করেছিলেন, তাঁর বাড়িতে এরকম কোনও চুরির ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু এবার অশোক কর নামে এই ব্য়ক্তি দাবি করেন, BDO-র বাড়ি থেকে সোনা চুরি করেছিলেন তিনি।
যদিও গতকাল নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন, রাজগঞ্জের প্রশান্ত বর্মন। তিনি এবিপি আনন্দ-কে জানান, আমি এরকম কোনও অন্যায় কাজ করিনি। আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে। এটা শুধু এবার প্রথম নয়, প্রায় এই চক্রান্ত কিছু অসাধু লোক করছে। আইন-আদালত আছে। আর আমার নামটাকে ব্যবহার করা হচ্ছে কালিমালিপ্ত করবার জন্য। ...পুলিশ তদন্ত করছে, আমাকে যদি ডাকে, আমি সহযোগিতা করব', বলেছেন তিনি।






















