Murders News: রান্না নিয়ে অশান্তি চরমে, রাগের বশে মদের 'ককটেল' খাইয়ে বন্ধুকে খুন, পচে গলল দেহ
UP Man Murder: ২১ মার্চ প্রতিবেশীরা যখন ভাড়া বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বেরোচ্ছে বলে খবর দেয়, তখন ঘটনাটি জানা যায়

নয়া দিল্লি: উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে ভাড়া বাড়িতে রান্না নিয়ে বিরোধের জেরে ৪৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে তার রুমমেটকে হত্যা করার অভিযোগে শনিবার গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্ত সুধীর শর্মা, ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার আগে তার বন্ধুকে দেশি ও বিদেশি মদের মিশ্রণ খাইয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম নেত্রাম শর্মা। বয়স ৩২ বছর। তিনি ফারুখাদাবাদের বাসিন্দা। মাসখানেক আগে গাজিয়াবাদে খোডা থানা এলাকায় একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে সুধীর শর্মার সঙ্গে থাকছিলেন তিনি। কিন্তু সপ্তাহখানেক ধরে নেত্রামকে দেখা যাচ্ছিল না। বেপাত্তা ছিলেন সুধীরও। ২১ মার্চ ওই ঘর থেকে পচা-দুগর্ন্ধ পেয়ে পুলিশে খবর দেন প্রতিবেশীরা। পুলিশ ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে নেত্রামের পচাগলা দেহ উদ্ধার করে। ২১ মার্চ প্রতিবেশীরা যখন ভাড়া বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বেরোচ্ছে বলে খবর দেয়, তখন ঘটনাটি প্রকাশ পায়। নিহত ব্যক্তির নাম ৩২ বছর বয়সী নেত্রাম শর্মা, তিনি ফারুখাবাদের বাসিন্দা।
তদন্তের সময় পুলিশ জানতে পারে যে নেত্রাম শর্মা গত কয়েক মাস ধরে তার রুমমেট সুধীর শর্মার সঙ্গে মধু বিহারে থাকছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে যে ১৭ মার্চ সকাল ৭টার দিকে সুধীর বাইরে থেকে বাড়িটি তালাবদ্ধ করে আর ফিরে আসেনি। এতে সন্দেহ জাগে, পুলিশ তাকে খুঁজতে শুরু করে।
জিজ্ঞাসাবাদের সময় সুধীর রান্না সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নেত্রামকে খুন করার কথা স্বীকার করে। অভিযুক্ত ব্যক্তি বাইরে থেকে খাবার অর্ডার করতে পছন্দ করতেন, অন্যদিকে নেত্রাম বাড়িতে রান্না করতেন। সুধীর দাবি করেন যে ঘরের ভিতরে রান্না করার ফলে অতিরিক্ত গরম হত, যার ফলে তাদের মধ্যে প্রায়শই ঝগড়া হত। ১৫ মার্চ, তীব্র ঝগড়া শুরু হয়, যার সময় নেত্রাম সুধীরকে গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ।
সুধীর আগে শুনেছিলেন দিশি মদের সঙ্গে বিলিতি মদ মিশিয়ে খেলে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে ব্যক্তি। এমনকী মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। অভিযোগ, সেই ‘কুবুদ্ধি’ কাজে লাগান সুধীর। ১৬ তারিখ রাতে দিশি ও বিলিতি মদ খাওয়ায় নেত্রামকে। পুলিশের দাবি, বিষক্রিয়ার নেত্রাম বিছানায় এলিয়ে পড়লে। তাঁকে চাদর দিয়ে ঢেকে দেন সুধীর। পরে মৃত্যু হলে ১৭ তারিখ সকালে বাড়ি ছেড়ে চলে যান অভিযুক্ত।
মদে কোনও বিষাক্ত পদার্থ মেশানো ছিল কিনা তা নির্ধারণের জন্য পুলিশ আরও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ভিসেরা সংরক্ষণ করেছে।
তদন্তের পর, খোড়া পুলিশ ২৯ মার্চ খোড়া এলাকার অহল্যাবাই গেটের কাছে সুধীর শর্মাকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) এর ধারা ১০৩(১) (হত্যা) এর অধীনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।






















