PM Modi : মোদির মুকুটে নয়া পালক ! শুভেচ্ছা বার্তা পাঠালেন বিশ্ব নেতারা, কে কী লিখলেন ?
Modi's New Record : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুকুটে আরও একটি নতুন রেকর্ডের পালক। দেশের সবচেয়ে বেশি সময় ধরে একটানা প্রধানমন্ত্রী পদে থাকার নয়া ইতিহাস গড়তে চলেছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুকুটে আরও একটি নতুন রেকর্ডের পালক। দেশের সবচেয়ে বেশি সময় ধরে একটানা প্রধানমন্ত্রী পদে থাকার নয়া ইতিহাস গড়তে চলেছেন তিনি। ১০ জুন নতুন এই নজির গড়তে চলেছেন মোদি। আর এই নজির গড়ার আগেই বিশ্বের তাবড় তাবড় নেতারা শুভেচ্ছে ও অভিনন্দন জানালেন তাঁকে। বিশ্বজুড়ে বিশ্ব নেতারা প্রধানমন্ত্রীর রূপান্তরমূলক শাসন ব্যবস্থা, গ্লোবাল সাউথের পক্ষে তাঁর অবস্থান এবং তাঁর নীতি, আদর্শ ও অর্থনৈতিক দিক থেকে একটি গতিশীল ভারত গড়ার তাঁর দূরদৃষ্টির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
১০ জুন ভেঙে যাবে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে জওহরলাল নেহরুর টানা প্রধানমন্ত্রিত্বের রেকর্ড। ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে প্রধানমন্ত্রী তিনিই ছিলেন। এবার সেই স্থানও পরিবর্তন হচ্ছে। তাঁর রেকর্ডকে ছাপিয়ে গিয়ে দেশের দীর্ঘতম সময় ধরে দায়িত্ব পালনকারী প্রধানমন্ত্রী হবেন নরেন্দ্র মোদি।
PIB'র জারি করা একটি বিবৃতিতে মোদির নয়া রেকর্ড নিয়ে বিশ্ব নেতাদের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছে। শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি অনুরা কুমার দিসানায়াকা, প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে ৮ জুন ২০২৬ তারিখের একটি চিঠিতে শ্রীলঙ্কা সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে: “এই মাইলফলকটি কেবল আপনার কার্যকালের বছরগুলোরই প্রমাণ নয়, বরং বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের জনগণ আপনার নেতৃত্বের ওপর যে আস্থা ও বিশ্বাস বার বার রেখেছে, তারও প্রমাণ।”
রাষ্ট্রপতি ভারতের উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক ও সামাজিক রূপান্তরের কথাও তুলে ধরেন এবং উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী মোদীর দূরদৃষ্টি শ্রীলঙ্কাসহ ভারতের সীমানার বাইরেও অনেককে অনুপ্রাণিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী ৪-৬ এপ্রিল ২০২৫ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা সফর করেন, যা ছিল এই দ্বীপরাষ্ট্রে তাঁর চতুর্থ সফর। এই সফরে তাঁকে ‘মিত্র বিভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়, যা কোনও বিদেশী বিশিষ্ট ব্যক্তিকে প্রদত্ত শ্রীলঙ্কার সর্বোচ্চ সম্মান। পাশাপাশি ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক সংকটের সময় ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সমর্থনও তুলে ধরেছেন সেখানকার রাষ্ট্রপতি।
পাপুয়া নিউ গিনির প্রধানমন্ত্রী জেমস মারাপে একটি ব্যক্তিগত ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদীকে “নেতৃত্বের এক আদর্শ ও দৃষ্টান্ত” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি আরও বলেন - “আজ ২০০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষকে দারিদ্র্য থেকে তুলে এনে উন্নত জীবন দেওয়া এক অসাধারণ কৃতিত্ব।” প্রধানমন্ত্রী মারাপে পাপুয়া নিউ গিনির উষ্ণ বন্ধুত্ব এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুসংহত করার আশা প্রকাশ করেন। ২০২৩ সালের মে মাসে তৃতীয় ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ সহযোগিতা ফোরাম (FIPIC-III) শীর্ষ সম্মেলনের জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদীর পাপুয়া নিউ গিনি সফরটি ছিল একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যা কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে প্রথম সফর। এই সফরটি গ্লোবাল সাউথের একনিষ্ঠ অংশীদার হিসেবে ভারতের ভূমিকাকে তুলে ধরেছে।
ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রী কমলা প্রসাদ-বিসেসার প্রধানমন্ত্রী মোদীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে ভারত বিশ্বে একটি অগ্রণী কণ্ঠস্বর হিসেবে বিকশিত হয়েছে।” তিনি মোদীর সাধারণ জীবন থেকে উঠে এসে তিনটি মেয়াদে ১.৪ বিলিয়ন মানুষের একটি জনসংখ্যার নেতৃত্ব দেওয়ার যাত্রার ওপর আলোকপাত করেন এবং পররাষ্ট্রনীতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিকাঠামো ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভারতের উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী ৩-৪ জুলাই ২০২৫ তারিখে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে একটি ঐতিহাসিক সফর করেন, যা ছিল ২৬ বছরের মধ্যে কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর।






















