Chinese Manja Kite Strings: লক্ষ্মী পেঁচার ডানা কাটল চিনা মাঞ্জায়, ছটফট করছিল গাছের ডালে আটকে, তারপর...
Hooghly News: হুগলির ব্যান্ডেলে ১ নম্বর গান্ধী কলোনিতে নারকেল গাছের মাথায় চিনা নাইলনের ঘুড়ির সুতোয় আটকে ছটফট করছিল একটি লক্ষ্মী পেঁচা (বার্ন আউল)।

সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়, হুগলি : চিনা মাঞ্জায় জখম হওয়ার খবর হামেশাই প্রকাশ্যে আসে। বিশেষ করে কলকাতার মা ফ্লাইওভারে প্রায়শই চিনা মাঞ্জায় আহত হওয়ার ঘটনা ঘটনা ঘটে। পুলিশ-প্রশাসনের হাজার কড়াকড়ির পরেও চিনা মাঞ্জার প্রতিপত্তি কমেনি। এমনকী এই চিনা মাঞ্জার জেরে প্রাণও গিয়েছে অনেক সাধারণ মানুষের। ফের একবার চিনা সুতোয় জখম হল একজন। তবে এবার মানুষ নয়, একটি পেঁচা। তাও আবার যে সে পেঁচা নয়, একেবারে লক্ষ্মী পেঁচা। এই ঘটনা ঘটেছে হুগলির ব্যান্ডেলে। জখম পেঁচাটিকে উদ্ধার করা হয়েছে ব্যান্ডেলের গান্ধী কলোনি থেকে। চিনা মাঞ্জায় এর আগেও অনেক পাখিই আহত হয়েছে, এমনকী মারাও গিয়েছে। মূলত ওড়ার সময় চিনা সুতোয় ডানা, পা - এইসব জায়গায় গুরুতর আঘাত পায় পাখিরা। চোট গুরুতর হলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
দুষ্কৃতীদের নিশানায় 'বিস্ফোরক' ব্যবসায়ী, বীরভূমে চলল গুলি, জখম ৩, যুক্ত কারা জানতে তদন্তে পুলিশ
হুগলির ব্যান্ডেলে ১ নম্বর গান্ধী কলোনিতে নারকেল গাছের মাথায় চিনা নাইলনের ঘুড়ির সুতোয় আটকে ছটফট করছিল একটি লক্ষ্মী পেঁচা (বার্ন আউল)। ঘটনাটি নজরে আসতেই স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে দমকলে খবর দেন। দমকলের পক্ষ থেকে বনদফতরে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি স্থানীয় পরিবেশকর্মী চন্দন ক্লেমেন্ট সিংকেও খবর দেওয়া হয়। তবে ওই পরিবেশকর্মী ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর আগেই স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্যোগ নিয়ে পেঁচাটিকে চিনা সুতো থেকে ছাড়িয়ে নিরাপদে উদ্ধার করেন। সুতোর মাঞ্জায় পাখিটির ডানায় আঘাত লাগে এবং আহত হয়েছে সে।
টুলুর পার্কিং লট থেকে উদ্ধার ছাপাখানার মেশিন, এর সাহায্যেই কি ছাপানো হত নকল DCR ?
পরিবেশকর্মী চন্দন ক্লেমেন্ট সিং জানান, ঘুড়ি ওড়ানোর চিনা নাইলনের সুতোয় আটকে গিয়েছিল বার্ন আউল বা লক্ষ্মী পেঁচাটি। স্থানীয় বাসিন্দাদের তৎপরতায় সেটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে পাখিটি আহত অবস্থায় রয়েছে। প্রয়োজনীয় পরিচর্যার মাধ্যমে সুস্থ করে তাকে আবার তার স্বাভাবিক আবাসস্থলে ছেড়ে দেওয়া হবে। ওই পরিবেশকর্মী আরও বলেছেন, বড় গাছ ও পুরনো বাড়ির সংখ্যা কমে যাওয়ায় লক্ষ্মী পেঁচার মতো পাখিরা বাসস্থানের সংকটে ভুগছে। এছাড়া সাপ ও ইঁদুর খেয়ে এরা পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এই ধরনের বন্যপ্রাণীকে রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।























