এক্সপ্লোর
'কঠোরতম সাজা' দাবি, আসারামের লোকজন প্রাণে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়েছে, প্রলোভনের টোপ দিয়েছে, জানালেন নিগৃহীতার বাবা

সাজাহানপুর (উত্তরপ্রদেশ): যোধপুরের কোর্টের রায়ে আসারাম বাপু দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর আদালত, মিডিয়াকে ধন্যবাদ দিলেন, রায়ে তিনি ন্যয়বিচার পেয়ে খুশি বলে জানালেন ধর্ষিতার বাবা। আসারামের 'কঠোরতম সাজা' দাবি করেছেন তিনি। তিনি বলেছেন, বিচারবিভাগের ওপর পূর্ণ আস্থা ছিল আমাদের। ন্যয়বিচার পেয়ে ভাল লাগছে। গত চার বছরে আমাদের পরিবারের কোনও সদস্য বাড়ির বাইরে বেরয়নি। রায় ওর বিরুদ্ধে গেল দেখে আনন্দ হচ্ছে। আমরা সবসময় আতঙ্কে কাটিয়েছি। আমাদের ব্যবসা দারুণ মার খেয়েছে। মামলার বিচার পর্বে আসারামের লোকজন তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলার ভয় দেখানোর পাশাপাশি নানারকম প্রলোভন দেখিয়েছে বলেও দাবি করেছেন নিগৃহীতার বাবা। বলেন, ওর লোকরা আমায় মিডিয়ার সামনে দাঁড়িয়ে বলতে বলেছিল, উনি ভাল লোক, নিরপরাধ। বলেছিল, উনি তাহলে ছাড়া পেয়ে যাবেন। আমি যত চাই, টাকা পাব। তবে বাড়িতে পুলিশ পাহারা বসায় আত্মীয়স্বজন মারফত হুমকিও পাঠাত। আসারামকে 'জালিয়াত' আখ্যা দিয়ে মেয়েটির বাবা বলেছেন, এ ধরনের লোকেরা ঈশ্বর-ভীতিতে কাবু লোকজনের মগজ ধোলাই করে ধীরে ধীরে তাদের আনুগত্য অর্জন করে, তাদের মনে এই ধারণা ঢুকিয়ে দেয় যে, গুরুই সবচেয়ে বড়। আমাদের মতো লোককে বোঝানো হয়, ওরা ঈশ্বরের অবতার। ওদের তথাকথিত অলৌকিক শক্তির কথা বারবার প্রচার করা হয়। ওরা হয়ে ভক্তদের ধ্যানজ্ঞান। আমাদের পুরোপুরি মগজ ধোলাই করিয়ে বলা হয়, ওদের গুরুকূলে পাঠালে আমাদের সন্তানদের মঙ্গল হবে। যখন জানলাম, মেয়ের ওপর কী হয়েছে, বিধ্বস্ত হয়ে যাই। ওর ওপর সব বিশ্বাস চলে যায়, যখন ওর কুকীর্তির কথা শুনি। যোধপুরের আদালত আজ পাঁচ বছর আগে একটি মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেছে ৭৭ বছরের আসারামকে। যাবজ্জীবন কারবাস হয়েছে তাঁর।
আরও পড়ুন
সেরা শিরোনাম
ব্যবসা-বাণিজ্যের
খুঁটিনাটি
ব্যবসা-বাণিজ্যের
খুঁটিনাটি
























