এক্সপ্লোর
ট্যুইট সরানো বা ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই নেই, আদালত অবমাননার মামলার অনুমতির পর অনড় কুণাল কামরা
কমেডিয়ান কুণাল কামরার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিন আইনজীবী ও ২ আইনের পড়ুয়া তাঁর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়েরের আর্জি দাখিল করেছিলেন। গতকালই অ্যাটর্নি জেনারেল কেকে বেণুগোপাল কুণালের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলার আবেদন অনুমোদন করেছেন।

নয়াদিল্লি: কমেডিয়ান কুণাল কামরার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিন আইনজীবী ও ২ আইনের পড়ুয়া তাঁর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়েরের আর্জি দাখিল করেছিলেন। গতকালই অ্যাটর্নি জেনারেল কেকে বেণুগোপাল কুণালের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলার আবেদন অনুমোদন করেছেন। যদিও নিজের অবস্থানে অনড় কুণাল। তিনি বিতর্কিত ট্যুইট সরানো বা এর জন্য ক্ষমা চাইতে অস্বীকার করেছেন। উল্লেখ্য, একটি আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলায় অর্ণব গোস্বামীর জামিন প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের সমালোচনা করেছিলেন কুণাল। তাঁর বিরুদ্ধে অবমাননার মামলা দায়েরের অনুমতির পর কুণাল তাঁর ট্যুইটার পেজে বেণুগোপাল ও বিচারপতিদের সম্বোধন করে এক বিবৃতিতে বলেছেন, 'সম্প্রতি আমি যে ট্যুইট করেছি, তা আদালত অবমাননার সামিল বলে মনে করা হচ্ছে'। কুণাল বলেছেন, 'আমার দৃষ্টিভঙ্গি বদলায়নি। কারণ, ব্যক্তিগত স্বাধীনতার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নীরবতা সমালোচনার বাইরে থাকতে পারে না। আমার ট্যুইট সরানো বা তার জন্য ক্ষমা চাওয়ার কোনও ইচ্ছেই নেই'। এই বিষয়টি নিয়ে তিনি যে আইনি লড়াইয়ের কথা ভাবছেন না, তারও ইঙ্গিত দিয়েছেন কুণাল। ওই পোস্টের শিরোনামে লিখেছেন, ‘কোনও আইনজীবী নয়, ক্ষমা নয়, জরিমানা নয়, স্থানের অপচয়ও নয়।’ চলতি বছরের ইন্ডিগোর বিমানে রিপাবলিক টিভির প্রধান সম্পাদক অর্ণব গোস্বামীর সঙ্গে অপ্রীতিকর আচরণের অভিযোগে বেশ কয়েকটি কোম্পানি তাঁর বিমানে যাতায়াতের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কুণাল আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণের বিরুদ্ধে অবমাননার মামলার প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছেন। ভূষণও তাঁর ট্যুইটের জন্য ক্ষমা চাইতে অস্বীকার করেছিলেন। তাঁকে অবমাননার মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। বেণুগোপাল বলেছিলেন যে, 'কুণালের ট্যুইট খুবই আপত্তিকর এবং বোঝানোর সময় এসেছে যে, শীর্ষ আদালতকে এভাবে অযৌক্তিকভাবে নিশানা করলে শাস্তির মুখে পড়তে হবে'। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন যে, 'আজকাল লোকজন মনে করেন যে, বাক-স্বাধীনতার ব্যবহার করে খুব সাহসী হয়ে নির্লজ্জের মতো সুপ্রিম কোর্ট এবং বিচারপতিদের সমালোচনা করতে পারেন। কিন্তু সংবিধানে বাক-স্বাধীনতা অবমাননা আইনের আওতাধীন'।
Before You Go
Mahua Moitra: 'আমার আশ্চর্য লাগছে যে, বিজেপি বলছে এটা দৈব বিচার', বারুইপুরে এনকাউন্টার প্রসঙ্গে বললেন মহুয়া মৈত্র

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















