এক্সপ্লোর
স্বামী অসীমানন্দ সহ ৫ অভিযুক্তকে মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ মামলায় বেকসুর খালাস করে দিয়ে ইস্তফা বিশেষ বিচারকের

হায়দরাবাদ: # মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ মামলায় অভিযুক্ত স্বামী অসীমানন্দ ও বাকিদের বিরুদ্ধে একটিও অভিযোগ সরকারপক্ষ প্রমাণ করতে পারেনি বলে জানিয়ে তাঁদের বেকসুর খালাস করে দেওয়ার কয়েক ঘন্টা না যেতেই নাটকীয় ভাবে ‘ব্যক্তিগত’ কারণ উল্লেখ করে পদত্যাগ করলেন এনআইএ মামলার বিশেষ বিচারক কে রবিন্দর রেড্ডি। যদিও আজকের রায়ের সঙ্গে তাঁর ইস্তফার কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। এআইএমআইএম প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়েইসি অবশ্য ট্যুইট করেছেন, আমি বিস্মিত। মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ মামলার সব অভিযুক্তকে খালাস করে দেওয়া বিচারকের ইস্তফা খুবই বিস্ময়কর। যদিও তিনি আগেই ইস্তফার সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছিলেন বলে জানান আদালতের জনৈক অফিসার। ২০০৭ সালের মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ মামলার ৫ অভিযুক্তকেই রেহাই দিল বিশেষ এনআইএ আদালত। এঁদের অন্যতম স্বামী অসীমানন্দ। মোট ১০ জনের এই মামলায় অভিযুক্ত হিসাবে নাম ছিল। তবে বিচারের মুখোমুখি হন তাদের মাত্র ৫ জন। দেবেন্দ্র গুপ্তা, লোকেশ শর্মা, স্বামী অসীমানন্দ ওরফে নবকুমার সরকার, ভরত মোহনলাল রত্নেশ্বর ওরফে ভরত ভাই ও রাজেন্দ্র চৌধুরি। ২০০৭ সালে মক্কা মসজিদে ঘটা নাশকতায় ৯ জন নিহত হন, ৫৮ জন জখম হন। সন্দীপ ভি ডাঙ্গে ও রামচন্দ্র কালসাঙ্গরা নামে দুই অভিযুক্ত পলাতক। আরেক অভিযুক্ত সুনীল জোশী মারা গিয়েছেন। বাকি দুজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। বিচার পর্বে ২২৬ জন সাক্ষীকে পরীক্ষা করা হয়, ৪১১টি নথি পেশ হয় আদালতে। স্বামী অসীমানন্দ ও ভারত মোহনলাল রত্নেশ্বর জামিনে ছাড়া পান আগেই। বাকি তিনজন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে ছিলেন এখানকার সেন্ট্রাল জেলে। গত সপ্তাহে বিচারপর্ব শেষ হয় এনআইএ মামলার জন্য গঠিত চতুর্থ অ্যাডিশনাল সেসনস কাম স্পেশাল কোর্টে। আজ রায়দানের দিন নির্ধারিত করে আদালত। দক্ষিণপন্থী সংগঠনের কর্মী অসীমানন্দ ও বাকিদের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ প্রমাণে সরকারপক্ষ ব্যর্থ বলে অভিমত আদালতের। রায় বেরনোর অসীমানন্দের আইনজীবী জে পি শর্মা এ কথা জানান। ২০১৭-র মার্চে রাজস্থানের এক আদালত আজমের দরগা বিস্ফোরণ মামলায় দেবেন্দ্র গুপ্তা ও আরেক দোষীকে যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজা দেয়। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় অসন্তোষ জানিয়ে আসাদুদ্দিন ওয়েইসি ন্যয়বিচার হল না বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি ট্যুইট করেছেন, এনআইএ, মোদী সরকার অভিযুক্তদের জামিনের রায়ের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে আবেদনই করেনি। একেবারেই পক্ষপাতদুষ্ট তদন্ত হয়েছে। এতে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াইয়ের শপথ দুর্বল হবে।
#MMasjid Blast case verdict - Justice has not been done ,NIA & Modi govt didn’t even Appeal against Bail that was given to Accused within 90 days this was a complete biased investigation which will weaken our resolve to Fight Terrorism ,MMasjid 9 people died many injured
— Asaduddin Owaisi (@asadowaisi) April 16, 2018
২০১৪-র জুনের পর সাক্ষীদের অধিকাংশই বিরূপ হয়ে গেলেন। প্রত্যাশামতো মামলায় এগোয়নি এনআইএ বা তাদের এগোতে দেয়নি ‘রাজনৈতিক প্রভুরা’। প্রশ্ন হল, এমন পক্ষপাতদুষ্ট বিচার চলতে থাকলে ফৌজদারি বিচার প্রক্রিয়ার কী-ই বা অবশিষ্ট থাকবে! # MMasjid Blast case verdict majority of witness turned hostile after June 2014 ,NIA didn’t pursue the case as expected from it /was not allowed by “Political Masters”Qs is what will be left of Criminal Justice system if such biased prosecutions continue Justice has nt been DONE
— Asaduddin Owaisi (@asadowaisi) April 16, 2018
আরও পড়ুন
সেরা শিরোনাম
ব্যবসা-বাণিজ্যের
খুঁটিনাটি
ব্যবসা-বাণিজ্যের
খুঁটিনাটি
























