এক্সপ্লোর
নাসিকের হাসপাতালে ৫৫ শিশুর মৃত্যু, কর্তৃপক্ষ দোষ চাপাল গাছের ঘাড়ে

নাসিক: শুনতে অদ্ভূত লাগলেও সত্যি। ৫৫টি শিশু এখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গিয়েছে অল্পদিন হল। আর এপ্রিল থেকে ধরলে মারা গিয়েছে ২০০-র বেশি শিশু। মহারাষ্ট্রের নাসিক সিভিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দোষ চাপাচ্ছে চারটে গাছের ওপর। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, স্পেশাল নিউবর্ন কেয়ার ইউনিটে ১৮টি ইনকিউবেটর রয়েছে। কিন্তু আড়াই কেজির কম ওজনের অপরিণত সদ্যজাতদের জন্য তা যথেষ্ট নয়। তাই প্রস্তাব রয়েছে, হাসপাতালের বাগানের জমিতে শুধু শিশু ও নারীদের চিকিৎসার জন্য চারতলা একটি ভবন বানানো হবে। রাজ্য সরকার গত বছর এই প্রস্তাব অনুমোদনও করেছে। তাহলে সমস্যাটা কোথায়। বিষয় হল, নভেম্বরে প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়ে গেলেও আর ২১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হলেও এখনও একটা ইঁটও বসেনি। কারণ, কর্পোরেশন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বাগানের চারখানা গাছ কাটতে দিচ্ছে না। গাছগুলোর বয়স ৩০-এর বেশি, ওখানেই ওই ভবন হওয়ার কথা। হাসপাতাল জানাচ্ছে, প্রতিদিন এখানে গড়ে ১০টি করে শিশু ভর্তি হয়। তাদের শারীরিক অবস্থা বুঝে ঠিক হয়, কতদিন স্পেশাল নিউবর্ন কেয়ার ইউনিটে রাখতে হবে। অনেককে আবার ১ মাসের বেশিও রাখতে হয় ওই ইউনিটে। ফলে শিশুদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করতে না পারলে এত অসুস্থ শিশুর সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা কঠিন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে আশার কথা, অ্যাডিশনাল কমিশনার ভবন তৈরিতে সম্মতি দিয়েছেন। হয়তো সে জন্য তাঁদের কয়েকটি ছোট গাছের চারা লাগাতে হতে পারে। ১ সপ্তাহের মধ্যে প্রয়োজনীয় অনুমতি এসে যাওয়ার কথা।
আরও পড়ুন





















