এক্সপ্লোর
'ধর্মের নামে সুড়সুড়ি দিচ্ছে', সংখ্যালঘু ও দলিত নির্যাতনে বিজেপিকে আক্রমণ মমতার

কলকাতা ও নয়াদিল্লি: গুজরাত থেকে মধ্যপ্রদেশ। কোথাও আক্রান্ত হচ্ছে দলিত সম্প্রদায়। তো কোথাও আবার অত্যাচারিত হচ্ছেন সংখ্যালঘুরা। যদিও এখনও এসব নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি নরেন্দ্র মোদী। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতির দাবিতে সোমবার সংসদে সরব হল বিরোধীরা। ফের এককাট্টা চেহারা দেখা গেল বিরোধী শিবিরে। বিজেপি যেদিন বিরোধীদের সম্মিলিত আক্রমণের মুখে পড়ল, তাৎপর্যপূর্ণভাবে সেদিনই, পদ ছাড়ার ইচ্ছেপ্রকাশ করলেন মোদীর রাজ্য গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী! যার নেপথ্যে গুজরাতের উনায় দলিতদের বেধে বেধড়ক মারধরের ঘটনার জের থাকতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কারণ, দলিত ও সংখ্যালঘু নিগ্রহ ইস্যুতে আলোচনা চেয়ে সোমবার লোকসভা ও রাজ্যসভায় নোটিস দেয় তৃণমূল। লোকসভার মতো বিরোধী ঐক্যের একই ছবি ছিল রাজ্যসভাতেও। তৃণমূলের সুরে সুর মেলায় কংগ্রেস, বিএসপি, সিপিএম, সমাজবাদী পার্টি, জেডিইউ-সহ একাধিক দল। আরও জোরাল হয় প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি দেওয়ার দাবি। দলিত ও সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে দলের সাংসদরা যখন দিল্লিতে সরব, তখন কলকাতা থেকে বিজেপিকে নিশানা করেন তৃণমূলনেত্রী। বললেন, দিল্লির সরকার সারাক্ষণ ধর্মের নামে সুড়সুড়ি দিচ্ছে। গোলমাল পাকাতে চায়। বিজেপির কথায় আমরা যেন প্ররোচিত না হই। শুধু গুজরাতের উনাই নয়, বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশেও সামনে এসেছে দলিত মহিলাদের ওপর অত্যাচারের ছবি। উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনের আগে দলিত সমাজের প্রতিনিধি মায়াবতীকে অশালীন আক্রমণ করে বিজেপিকে বিপাকে ফেলেছেন দয়াশঙ্কর সিংহ। সামনের বছর গুজরাত এবং উত্তরপ্রদেশ দু’জায়গাতেই ভোট। দলিত এবং সংখ্যালঘুরা দু’জায়গাতেই বড় ভোটব্যাঙ্ক। এই পরিস্থিতিতে এসব ঘটনা নিয়ে দেশ তোলপাড় হলেও, প্রধানমন্ত্রীকে এখনও প্রকাশ্যে মুখ খুলতে দেখা যায়নি। বিরোধীদের প্রশ্ন, আর পাঁচটা ঘটনায়, প্রধানমন্ত্রী যেভাবে সোশাল মিডিয়ায় তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া দেন, এক্ষেত্রে সেটা দেখা যাচ্ছে না কেন? কেন তাঁর ‘মন কি বাতে’ নেই দলিত ও সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের প্রসঙ্গ? এই সব প্রশ্নই সোমবার উঠল সংসদের দুই কক্ষে।
আরও পড়ুন























