এক্সপ্লোর
সবথেকে খারাপ অবস্থা কলকাতার, ৩০ পেরনো এক-তৃতীয়াংশ ভারতীয় জীবনশৈলী সংক্রান্ত রোগে ভোগেন, বলছে গবেষণা

নয়াদিল্লি: বয়স ৩০-এর চৌকাঠ পার হলেই উঁকি মারছে নানা ধরনের রোগ। কখনও মধুমেহ, কখনও হৃদরোগ। বেশি মাত্রার কোলেস্টেরল, রক্তচাপ, থাইরয়েড তো রয়েছেই। বাদ যাচ্ছে না ক্যানসারও। গবেষণা জানাচ্ছে, ৩০ পার হওয়া এক-তৃতীয়াংশ ভারতীয় ভোগেন এসব জীবনশৈলী সংক্রান্ত রোগ বা লাইফস্টাইল ডিজিজে। মূলত এ সব রোগের কারণ, ঘুম, পুষ্টি ও ব্যায়ামের অভাব। যে হেলথকেয়ার লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সংস্থা এই গবেষণা করেছে, তার ১৫-৬৫ বছর বয়সের এক লাখের বেশি ব্যবহারকারীর থেকে তারা সংগ্রহ করেছে তথ্য। তথ্য জোগাড় হয়েছে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে, মুম্বই, দিল্লি, কলকাতা, বেঙ্গালুরু, আমদাবাদ, হায়দরাবাদ, চেন্নাই ও পুনের বাসিন্দাদের থেকে। দেখা যাচ্ছে, তথ্যদাতাদের ৩৩ শতাংশ কিছু না কিছু জীবনশৈলী সংক্রান্ত রোগে ভোগেন। এঁদের মধ্যে প্রায় ৯.৪ শতাংশর উচ্চ কোলেস্টেরল রয়েছে, ৭.৭ শতাংশ ভুগছেন মধুমেহতে। ৬.৭৬ শতাংশর থাইরয়েড ধরা পড়েছে। মধুমেহ, কোলেস্টেরল ও কার্ডিয়াক সংক্রান্ত রোগ পুরুষদেরই বেশি। মহিলারা আবার ভুগছেন কম রক্তচাপ, থাইরয়েড, মোটা হয়ে যাওয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মত রোগে। সবথেকে বেশি খারাপ অবস্থা কলকাতার। এ শহরের ৩৫.৭ শতাংশ মানুষ কিছু না কিছু জীবনশৈলী সংক্রান্ত রোগে ভোগেন। সবথেকে বেশি ভোগেন হজমের সমস্যায়। চেন্নাই, আমদাবাদ ও হায়দরাবাদের বাসিন্দারা আবার বেশি ভুগছেন স্থূলতা সংক্রান্ত রোগে। ৩১-৬০ বছরের বয়ঃসীমার মানুষ এ দেশের সবথেকে চাপে থাকা জনগোষ্ঠী বলে জানিয়েছে ওই গবেষণা। কাজের চাপে এঁরা যেমন ব্যায়াম করার সুযোগ পান না, তেমনই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফুড হ্যাবিট বদলে যাওয়ায় জীবনে তার প্রভাব এসে পড়েছে। খাবারে ফাইবারের অভাব দেখা দিয়েছে চোখে পড়ার মত, ২০ শতাংশ মানুষ নিয়মিত কোনও না কোনও বেলার খাবার মিস করছেন। তা ছাড়া ৪৪ শতাংশ মানুষ নিরামিষ খাওয়ায় তাঁদের শরীরে প্রোটিন ঢুকছে না। ঠিকমতো ঘুম না হওয়াতেও শরীরে বাসা বেঁধেছে নানা ধরনের রোগ। একজন গড়পড়তা ভারতীয় ঘুমোচ্ছেন দিনে মাত্র ৬.৭২ ঘণ্টা, যখন আদর্শ ঘুম হওয়া উচিত অন্তত ৭-৯ ঘণ্টা। দেশের ফিটনেস ক্যাপিটাল হল বেঙ্গালুরু, তারপর আসছে মুম্বই ও পুনে।
Before You Go
Jadavpur Incident News | "ABVP-এর দায়িত্ব BJP নেয়নি। এটা স্বাভাবিক শিক্ষার সঙ্গে সংযোগ না থাকবে ছাত্রসংগঠন না থাকারই কথা" : Anirban Banerjee

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion




















