এক্সপ্লোর
অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় রাজ্যগুলিকে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানে জোর দিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

নয়াদিল্লি: রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মুখ্যমন্ত্রী ও লেফটেন্যান্ট গভর্নরদের সঙ্গে বৈঠকে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার উপর জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি রাজ্যগুলিকে গোয়েন্দা সূত্রে পাওয়া তথ্য পরস্পরের মধ্যে আদান-প্রদান করার উপর জোর দিতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর মতে, এর ফলে নিরাপত্তারক্ষীরা সতর্ক এবং সাম্প্রতিকতম অবস্থা সম্পর্কে অবহিত থাকতে পারবেন। এক দশক পরে কেন্দ্র-রাজ্য এই ধরনের বৈঠক হল। ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম সবকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব, কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এবং জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি ছাড়া সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির লেফটেন্যান্ট গভর্নর এবং ১৭ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এই বৈঠকে হাজির ছিলেন। সেখানে মোদী বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্যগুলি তথ্য আদান-প্রদান না করলে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা যাবে না। এ বিষয়ে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নিরাপত্তা ছাড়াও দেশের উন্নতির জন্যও রাজ্যগুলির কাছ থেকে সহযোগিতা চেয়েছেন মোদী। তিনি বলেছেন, যে কোনও সরকারের পক্ষেই এককভাবে কোনও প্রকল্প রূপায়ণ করা কঠিন। তাই প্রকল্প বাস্তবায়িত করার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ জোগাড় করা জরুরি। কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে রাজ্য সরকারগুলির বৈঠক বেশি হয় না। তাই এই বৈঠকে মানুষের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে তাঁদের স্বার্থে উপযুক্ত পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে সবাই একমত হলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ। ১০ বছর পরে কেন্দ্র-রাজ্য বৈঠক আয়োজন করার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, এই বৈঠকের মাধ্যমে গণতন্ত্র, সমাজ এবং শাসনব্যবস্থা উন্নত হবে। তিনি আরও বলেছেন, ১৪ তম অর্থ কমিশনের সুপারিশ মঞ্জুর হওয়ার ফলে রাজ্যগুলি কর বাবদ আরও বেশি অর্থ পাবে। পঞ্চায়েত এবং পুরসভাগুলি ২ লক্ষ ৮৭ হাজার কোটি টাকা পাবে। কয়লা খনির নিলামের ফলে রাজ্যগুলি ৩.৩৫ লক্ষ কোটি টাকা পাবে। এছাড়া অন্যান্য খনির নিলাম থেকে আরও ১৮ হাজার কোটি টাকা পাওয়া যাবে। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলির অধিকারের বিষয়ে সচেতন। প্রাপ্য অর্থ পাবে রাজ্যগুলি।
আরও পড়ুন

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion




















