এক্সপ্লোর
কেন্দ্রীয় অস্ত্রাগারে আগুন ‘স্বাভাবিক ঘটনা নয়’, মত শিবসেনার, মৃত বেড়ে ১৯

মুম্বই: পুলগাঁওয়ের কেন্দ্রীয় অস্ত্র ভাণ্ডারে আগুন লাগার ঘটনার পিছনে চক্রান্তের গন্ধ পাচ্ছে শিবসেনা। আগুন লাগাটা ‘অস্বাভাবিক’ ঘটনা, বলা হয়েছে কেন্দ্রের এনডিএ সরকারের শরিক দলটির মুখপত্র ‘সামনা’-র সম্পাদকীয়তে। কটাক্ষ করা হয়েছে মোদী সরকারের। কেন্দ্রকেই বিপুল পরিমাণ অস্ত্র নষ্ট হওয়া ও মানুষের প্রাণহানির দায় নিতে হবে বলে দাবি তুলেছে তারা। উদ্ধব ঠাকরের দল বলছে, নিশ্চয়ই চিন, পাকিস্তানের মতো আমাদের শত্রুরা এটা জেনে উল্লসিত যে, আগুনে মজুত থাকা প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। যুদ্ধ হলেও বোধহয় এত ক্ষয়ক্ষতি হত না। আমাদের সরকার জীবনহানির ঘটনায় স্রেফ দুঃখ প্রকাশ করে, তদন্তের নির্দেশ দিয়েই ক্ষান্ত। কিন্তু দেশের নিরাপত্তার মতো জরুরি ব্যাপারে শৈথিল্য রয়েছে, এটা লজ্জার। তারা এও বলেছে, সেনা জওয়ানরা সীমান্তে লড়ছেন। কিন্তু তাঁদের লড়াইয়ের প্রয়োজনীয় অস্ত্রশস্ত্রের ঘাটতি হলে কে দায়ী হবে? সরকার কিন্তু দায় এড়াতে পারে না। এই আগুন স্বাভাবিক নয়। অনেক সংশয়, প্রশ্ন রয়েছে। যদিও গতকালই সেনাপ্রধান জেনারেল দলবীর সিংহকে নিয়ে ঘটনাস্থল ঘুরে দেখে অন্তর্ঘাত বা নাশকতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পর্রীকর। তবে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিবসেনা বলেছে, এর আগে সাবমেরিনের ক্ষতি হয়েছে। এবার পুরো অস্ত্রভাণ্ডারে আগুন! কেন এমন ঘটছে? কারও গাফিলতির জন্য হয়ে থাকলে তাহলে তারা কারা,যারা জাতীয় নিরাপত্তার মতো ব্যাপারেও ঘুমিয়ে রয়েছে? আর এর পিছনে যদি কোনও চক্রান্ত থাকে, তবে আমাদের শত্রুদের যে কী প্রচণ্ড ক্ষমতা, তা বুঝে ওঠা যায়নি।
এদিকে গতকাল ভোরে মহারাষ্ট্রের ওয়ার্ধার পুলগাঁওয়ের ওই বিশাল অস্ত্রাগারে বিধ্বংসী আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯। গতকাল তিনজনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ তাঁদের দেহ মিলেছে। প্রতিরক্ষা সূত্রে বলা হয়েছে, তিনজনই এমন ভাবে পুড়ে গিয়েছেন যে, চেনা যাচ্ছে না। তবে তিনজনই প্রতিরক্ষা নিরাপত্তা কোরের সদস্য, জানিয়েছে সূত্রটি। গতকালের আগুনে জখম কেন্দ্রীয় অস্ত্রাগারের পদস্থ কর্তা সমেত ১৭ জনকে আচার্য বিনোবা ভাবে গ্রামীণ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আজ জখমদের তিনজনকে বিমানে পুনের সেনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁরা হলেন কেন্দ্রীয় অস্ত্রভাণ্ডারের ডেপুটি কমান্ডান্ট কর্নেল গনেন্দ্র সিংহ ও শারদ যাদব, জগদীশ চন্দ্র নামে দুই অফিসার। যাদবের মুখে, হাতে ছিটকে আসা বুলেটের ঘায়ে চোট লেগেছে। জগদীশ পুড়ে গিয়েছেন।
এদিকে গতকাল ভোরে মহারাষ্ট্রের ওয়ার্ধার পুলগাঁওয়ের ওই বিশাল অস্ত্রাগারে বিধ্বংসী আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯। গতকাল তিনজনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ তাঁদের দেহ মিলেছে। প্রতিরক্ষা সূত্রে বলা হয়েছে, তিনজনই এমন ভাবে পুড়ে গিয়েছেন যে, চেনা যাচ্ছে না। তবে তিনজনই প্রতিরক্ষা নিরাপত্তা কোরের সদস্য, জানিয়েছে সূত্রটি। গতকালের আগুনে জখম কেন্দ্রীয় অস্ত্রাগারের পদস্থ কর্তা সমেত ১৭ জনকে আচার্য বিনোবা ভাবে গ্রামীণ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আজ জখমদের তিনজনকে বিমানে পুনের সেনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁরা হলেন কেন্দ্রীয় অস্ত্রভাণ্ডারের ডেপুটি কমান্ডান্ট কর্নেল গনেন্দ্র সিংহ ও শারদ যাদব, জগদীশ চন্দ্র নামে দুই অফিসার। যাদবের মুখে, হাতে ছিটকে আসা বুলেটের ঘায়ে চোট লেগেছে। জগদীশ পুড়ে গিয়েছেন। Before You Go
Rajnath Singh on Bengal | বাংলার হাওয়ায় নতুন সুবাস, মন্তব্য প্রতিরক্ষামন্ত্রীর | ABP ANANDA LIVE

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion




















