এক্সপ্লোর
মেয়েকে খেলার সাথী খুঁজে নিতে বাড়ির পাশের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ভর্তি করলেন আইএএস অফিসার, তিরুনেলভেলির কালেক্টর

নয়াদিল্লি: বড়লোক মধ্যবিত্ত বাবা-মায়েদের হাঁটি হাঁটি পা পা করতে শিখলেই বাচ্চাকে নামী কিন্ডারগার্টেন বা মন্টেসরি স্কুলে পাঠানোর মানসিকতা, ধারনাকে বলতে গেলে চ্যালেঞ্জ জানালেন শিল্পা প্রভাকর সতীশ। মেয়েকে খেলার সাথী খুঁজে নিতে বাড়ির কাছের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পাঠালেন ২০০৯ ব্যাচের এই আইএএস অফিসার। শিল্পা তামিলনাড়ুর তিরুনেলভেলির প্রথম মহিলা ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর। অঙ্গনওয়াড়িতে মেয়েকে পাঠানোর সিদ্ধান্তের সমর্থনে তিনি সওয়াল করেছেন, এগুলি সুসংহত শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র যেখানে বাচ্চাদের শরীর-স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া হয়। এ ব্যাপারে তাঁর বক্তব্য, আমরা অর্থাত্ সরকারই অঙ্গনওয়াড়িগুলিকে গুরুত্ব দিই। মেয়ে সেখানে সমাজে সব স্তরের বাচ্চাদের সঙ্গে মিলেমিশে বড় হবে, দ্রুত তামিল ভাষাটাও রপ্ত করে নেবে, এটাই লক্ষ্য শিল্পার। তিনি বলেছেন, অঙ্গনওয়াড়িগুলিতে যাবতীয় বন্দোবস্ত আছে। এই কেন্দ্রটা ঠিক আমার বাড়ির পাশেই, মেয়ে ওখানে সবার সঙ্গে মেশে, খেলে বেড়ায়। তিরুনেলভেলিতে এরকম কয়েক হাজার অঙ্গনওয়াড়ি আছে, যেগুলির প্রতিটিতে ভাল শিক্ষক আছেন, যাঁরা বাচ্চাদের দারুণ যত্ন নিতে জানেন। পরিকাঠামো ভাল, খেলার সরঞ্জামও মজুত। অঙ্গনওয়াড়িগুলি খেলার জায়গা, পুষ্টি বিকাশের কেন্দ্র। জেলার অঙ্গনওয়াড়ির শিক্ষকদের স্মার্টফোন দেওয়া হয়েছে, যাতে একটি অ্যাপ আছে যা দিয়ে বাচ্চাদের উচ্চতা, ওজন মাপা হয়, ওদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নথির রেকর্ড রাখায় সুবিধা হয়। যখন বাচ্চারা একটু বড় হয়ে স্কুলে যাবে, সেই নথি দেওয়া হবে স্কুল কর্তৃপক্ষকে। জাতীয় পুষ্টি অভিযানের অংশ হিসাবে এই উদ্যোগ বলে জানান শিল্পা। বলেন, এই জেলায় একটি কর্মসূচি চলছে যাতে প্রতিটি বাচ্চার ওজন, উচ্চতার মাপ নেওয়া হচ্ছে, তার কী ধরনের খাবার প্রয়োজন, বুঝিয়ে দেওয়া হয় বাবা-মাকে। বাচ্চার পুষ্টির ক্ষেত্রে আগে থাকতেই কোনও ব্যবস্থা নেওয়া দরকার কিনা, সেটাও বুঝে যাই আমরা।
খবর (News) লেটেস্ট খবর এবং আপডেট জানার জন্য দেখুন এবিপি লাইভ। ব্রেকিং নিউজ এবং ডেলি শিরোনাম দেখতে চোখ রাখুন এবিপি আনন্দ লাইভ টিভিতে
আরও পড়ুন






















