এক্সপ্লোর
কেরলে 'মানসিক ভারসাম্যহীন'কে গণপিটুনিতে খুন: গ্রেফতার ১৬, রিপোর্ট চাইল কেন্দ্র, পিঠে ভারী বস্তা চাপিয়ে হাঁটানো হয়েছিল, দাবি মা, বোনের

নয়াদিল্লি: কেরলের পালাক্কাড়ের এক দোকান থেকে খাবার-দাবার চুরি করার অভিযোগে মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে গণপিটুনিতে মেরে ফেলার ঘটনায় ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হল। ত্রিচুর মেডিকেল কলেজে লোকটির ময়না তদন্ত করা হয়েছে। তার রিপোর্টে প্রকাশ, মধু নামে লোকটির মাথায় আঘাত রয়েছে। সারা শরীরে ছিল কালশিটে। হাড়-পাঁজরা ভাঙা, শরীরে ভিতরে ভিতরে রক্তক্ষরণ হয়েছে। ময়না তদন্ত করা ডাক্তাররা বলেন, মাথার ভিতরে প্রচণ্ড আঘাতের ফলেই লোকটি মারা যায়। তারপরই ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। আগালির ডেপুটি পুলিশ সুপার টি কে সুব্রহ্মণ্যম বলেন, আরও কয়েকজনকে গণপিটুনিতে যুক্ত সন্দেহে হেফাজতে নিয়ে জেরা করা হচ্ছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে খুন সহ ভারতীয় দণ্ডবিধির নানা ধারা, তফসিলি জাতি ও উপজাতিদের ওপর অত্যাচার রোধ আইনে মামলা দায়ের করা হবে। গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলার ছবি তুলে সোস্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার অভিযোগে তথ্য ও প্রযুক্তি আইনেও মামলা রুজু করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদিকে কেন্দ্রের আদিবাসী বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রী জুয়েল ওরাওঁ গত বৃহস্পতিবারের গণরোষে পিটিয়ে হত্যার ব্যাপারে রাজ্যের মুখ্যসচিবের রিপোর্ট তলব করা হয়েছে বলে জানান। রাজ্য সরকার কী করেছে, তাও জানাতে বলা হয়েছে রিপোর্টে। নিহত মধুর পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। এদিকে মধুর পরিবারের দাবি, সে গত বেশ কয়েক মাস ধরে গ্রামের কাছে জঙ্গলে একটি গুহায় থাকত। তাঁর মা ও বোনের অভিযোগ, মধুকে জঙ্গলে ঢুকে মারধর করে ১০-১৫ জনের একটি দল। মারধর করে তাকে পিঠে ভারী বস্তা চাপিয়ে চার কিমির বেশি রাস্তা হাঁটতে বাধ্য করে তারা। সে জল খেতে চাইলে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করা হয়।
আরও পড়ুন
























