Congress News: পার্টি অফিস খালি করতে বলা হল কংগ্রেসকে, যুব কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ও ছাড়তে নির্দেশ
Congress Eviction Notice: শুধু তাই নয়, ৫, রাইসিনা রোডে যুব কংগ্রেসের কার্যালয়টিও খালি করতে বলা হয়েছে।

নয়াদিল্লি: দিল্লিতে এবার দলীয় কার্যালয় খালি করতে বলা হল প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসকে। ২৪, আকবর রোডে গত ৪৮ বছর ধরে কংগ্রেসের যে সদর দফতর ছিল ওই বাংলোটি। গত বছর কোটলা মার্গে নিজেদের নতুন সদর দফতর ‘ইন্দিরা ভবনে’র উদ্বোধন করে কংগ্রেস। তার পরও আকবর রোডের কার্যালয়টিতে আগের মতোই কাজকর্ম চালু ছিল। কিন্তু ওই দফতর খালি করতে বলা হল তাদের। (Congress News)
শুধু তাই নয়, ৫, রাইসিনা রোডে যুব কংগ্রেসের কার্যালয়টিও খালি করতে বলা হয়েছে। সেই নিয়ে নতুন করে জাতীয় রাজনীতি তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কংগ্রেসের তরফে ইতিমধ্যেই আইনি পরামর্শ নেওয়া শুরু হয়েছে। সেই মতোই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে বলে খবর। (Congress Eviction Notice)
গত বছর দলের সদর নতুন সদর দফতর ‘ইন্দিরা ভবনে’র উদ্বোধন করেন সনিয়া গাঁধী। তবে সদর দফতর সরে গেলেও, ২৪ আকবর রোডের ওই কার্যালয়ের সঙ্গে আবেগ জড়িয়ে রয়েছে কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের। ওই কার্যালয়ের ঐতিহাসিক গুরুত্বও অপরিসীম। একসময় স্য়র রেজিনাল্ড ম্য়াক্সওয়েল সেখানে থাকতেন। ছয়ের দশকে ভারতে মোতায়েন মায়ানমারের তদানীন্তন রাষ্ট্রদূত দও কিন চি-র বাসভবন হয়ে ওঠে সেটি। দও কিন চি-র মেয়ে, নোবেলজয়ী আং সান সু চি-ও দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন সেখানে।
সাতের দশকের শেষ দিক ওই ভবনটি কংগ্রেসের হাতে ওঠে ১৯৭৭ সালের নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর দলও ভেঙে যায়। ইন্দিরা গাঁধীকে অনুগামীদের সেই সময় কাজ করার কোনও জায়গা ছিল না। সেই সময় রাজ্যসভার সাংসদ জি বেঙ্কটস্বামী নিজের জন্য বরাদ্দ ওই বাংলো কংগ্রেসকে ছেড়ে দেন।
এর পর ওই বাংলো থেকেই পুনর্জীবন পায় কংগ্রেস। রাজীব গাঁধী, পিভি নরসিংহ রাও এবং মনমোহন সিংহ যখন প্রধানমন্ত্রী, সেই সময়ও ওই বাংলোটিই কংগ্রেসের সদর দফতর ছিল। জায়গায় কুলিয়ে না ওঠায় গত বছর ‘ইন্দিরা ভবনে’ সদর দফতর সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হলেও, আকবর রোডের বাংলোয় এখনও দৈনন্দিন কাজকর্ম অব্যাহত রয়েছে। সেই আবহেই বাংলো খালি করার নির্দেশ এল। ২৮ মার্চের মধ্যে বাংলোটি খালি করে দিতে বলা হয়েছে।
কয়েক দিন আগেই সরকারের তরফে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কংগ্রেসের এক শীর্ষ নেতা। সেই নিয়ে আইনি শলা-পরামর্শ নেওয়ার কাজ চলছে। আপাতত সময়সীমা বাড়ানোর আর্জি জানানোও হতে পারে।

























