India Pakistan News: রাতেই ভারতের একাধিক শহরকে টার্গেট করে হামলার ছক? কোন কোন এলাকা ছিল পাকিস্তানের নজরে?
সূত্রের খবর, কাল রাতে ভারতের ১৫টি শহরে হামলার চেষ্টা করেছিল পাকিস্তান।

নয়া দিল্লি: ভারতের প্রত্যাঘাতে দিশাহারা পাকিস্তান। অপারেশন সিঁদুরের পর লজ্জা ঢাকতে ফের সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে পাক সেনার গুলিবর্ষণ। এরই মধ্যে সূত্রের খবর, ভারতের ১৫টি শহরকে টার্গেট করেছিল পাকিস্তান। ভারতের ১৫টি শহরের সেনা ছাউনিকে টার্গেট পাকিস্তানের, এমনটাই খবর । যদিও পাকিস্তানের হামলার চেষ্টা ব্যর্থ করল ভারত, জানা গিয়েছে সূত্র মারফত।
সূত্রের খবর, কাল রাতে ভারতের ১৫টি শহরে হামলার চেষ্টা করেছিল পাকিস্তান। এছাড়াও, শ্রীনগর, অমৃতসর, পাঠানকোট, জলন্ধর, চণ্ডীগড়, লুধিয়ানা, অবন্তীপোরা, জম্মু, ভাটিন্ডা, কাপুরথালা, আদমপুর, ভুজকেও টার্গেট করেছিল পাকিস্তান।
গতকাল মধ্যরাতেও কুপওয়াড়া, বারামুলা, উরি, আখনুর এলাকায় নিয়ন্ত্রণরেখার ওপার থেকে আর্টিলারি গান থেকে গুলি ছুড়তে শুরু করে পাক সেনা। পাল্টা জবাব দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর এই নিয়ে টানা দু’ সপ্তাহ ধরে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করছে পাক সেনা। শিয়ালকোট-ছাম্ব সেক্টর লাগোয়া এলাকার সমস্ত গ্রাম খালি করা হয়েছে। এলাকার সমস্ত সেনা চৌকি, পুলিশ স্টেশন ও হাসপাতালকে সতর্ক করা হয়েছে। পহেলগাঁও, আখনুর, পুঞ্চ সেক্টরেও জারি রয়েছে সতর্কতা। পহেলগাঁওয়ে প্রত্যাঘাতের সঙ্গে সঙ্গে তল্লাশি অভিযানও জারি রেখেছে সেনা।
এদিকে, অল আউট অ্যাটাকের পর এবার অফেন্সিভ ডিফেন্স। পহেলগাঁওয়ের জঙ্গি হামলার প্রত্যাঘাতে অপারেশন সিঁদুরের সাফল্য, ভারতীয় বায়ুসেনাকে ফ্রি হ্যান্ড দিল মোদি সরকার। সন্দেহজনক কোনও কিছু দেখলে তা প্রতিহত করতে প্রয়োজনে গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাহলে কি সীমান্তে কোনও কিছুর আশঙ্কা করছে কেন্দ্রীয় সরকার? এর মধ্যেই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। পহেলগাঁওকাণ্ডের পর নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর লাগাতার গোলাগুলি বর্ষণ করছে পাক সেনা। অপারেশন সিঁদুুরের পর তারা মরিয়া চেষ্টা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা। সেই কারণেই ভারতের আকাশসীমায় সন্দেহজনক কোনও কিছু দেখলে তা প্রতিহত করার জন্য বায়ুসেনাকে ফ্রি হ্যান্ড দিল কেন্দ্র।
অন্যদিকে, ভারতের অপারেশন সিঁদুর অপারেশনের পর জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে পাক সেনাকে ফ্রি হ্যান্ড দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। পাল্টা নয়াদিল্লিও স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছিল, পাকিস্তান বাড়াবাড়ি করলে কড়া ভাষাতেই জবাব দেওয়া হবে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং আগেই বলেছিলেন, 'আগামীদিনে যে কোনও পরিস্থিতির জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। সুনিশ্চিত করতে হবে যে, আমাদের প্রস্তুতি যুদ্ধস্তরের।' সাংবাদিক সম্মেলনে উইং কমান্ডার ব্যোমিকা সিংহ বলেছিলেন, 'এটা বলতেই হয় যে পাকিস্তান যদি কোনও দুঃসাহসিক কাজ করতে চায়, তা হলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী পুরোপুরি তৈরি আছে'।






















