Pakistan Big Admission: 'আমাদের ভিক্ষা করতে হয়েছে, লজ্জায় মাথা নত হচ্ছে', বড় বিবৃতি পাকিস্তানের
Pakistan Shehbaz Sharif: শাহবাজ় জানান, কী ভাবে তিনি এবং পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির অর্থের জন্য বিভিন্ন দেশে গিয়ে ভিক্ষা চেয়েছেন।

নয়া দিল্লি: 'ভাঁড়ে মা ভবানী' দশা পাকিস্তানের। কতটা দৈন্যদশায় রয়েছেন তা আর লুকোতে পারলেন না। নিজেই প্রকাশ্যে দেশের অর্থনৈতিক দুর্দশার কথা কার্যত স্বীকার করে নিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ খোলাখুলিভাবে স্বীকার করেছেন যে তাঁকে এবং পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে আর্থিক সাহায্য চাইতে বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করতে হয়েছিল। দেশের অর্থনীতির কারণে তার সরকারকে যে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল সে সম্পর্কে খোলাখুলি স্বীকারোক্তি।
শাহবাজ় জানান, কী ভাবে তিনি এবং পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির অর্থের জন্য বিভিন্ন দেশে গিয়ে ভিক্ষা চেয়েছেন। তাঁদের এই কাজের জন্য পাকিস্তানে সঞ্চিত বিদেশি মুদ্রার পরিমাণ বেড়েছে বলেও দাবি করেন পাক প্রধানমন্ত্রী। শাহবাজ়ের সংযোজন, “বর্তমানে বিদেশি মুদ্রার ভান্ডার বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। কিন্তু আপনারা জানেন যে, যখন কেউ ঋণ চাইতে যায়, তখন তার মাথা নিচু হয়ে যায়।”
শাহবাজ শরিফের কথায়, 'ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির এবং আমি যখন সারা বিশ্বে ভিক্ষা করে ঘুরে বেড়াই, তখন আমাদের লজ্জা লাগে। ঋণ নেওয়া আমাদের আত্মসম্মানের উপর এক বিরাট বোঝা। লজ্জায় আমাদের মাথা নত হয়ে যায়। তারা আমাদের কাছ থেকে যেসব কাজ করিয়ে নিতে চায়, আমরা সেগুলোর অনেক কিছুই না বলতে পারি না..."।
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের কাছ থেকে ১২০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ পেয়েছে পাকিস্তান। এই অর্থ ইসলামাবাদকে বকেয়া ঋণ মেটাতে এবং বিদেশি মুদ্রায় ভান্ডার বাড়াতে সাহায্য করছে। এর ফলে পাকিস্তানের বিদেশি মুদ্রার ভান্ডার বাড়়লেও আইএমএফ অর্থ খরচের ব্যাপারে কিছু কঠোর বিধিনিষেধ জারি করে রেখেছে।
পাকিস্তান কেবল IMF এবং বিশ্বব্যাঙ্কের কাছে ঋণী নয় বরং চিন ও সৌদি আরবের কাছ থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঋণের বোঝায় চাপা পড়ে রয়েছে। তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে পাকিস্তানের মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৫২.৩৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পাকিস্তানের পুরো অর্থনীতি বর্তমানে ঋণের উপর নির্ভরশীল। IMF কঠোর শর্ত মেনে চলার জন্য সরকার জনসাধারণের উপর ভারী কর এবং মুদ্রাস্ফীতি চাপিয়ে দিচ্ছে।





















