Pune Lohagad Fort Murder : হবু বর কেতনকে মারার আগেই ৩৪ মিনিটের ফোন-কল প্রেমিকের সঙ্গে.... গা শিউরে ওঠা পরিকল্পনা
বিয়ের আগে প্রেমিককে ফোন, তার ৩৪ মিনিট পরই হবু বরকে পাহাড় থেকে ধাক্কা! পুনে দুর্গ হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিশের হাতে

পুণে : পুনের লোহাগড় দুর্গে ২৫ বছর বয়সি কেতন আগরওয়ালের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত, কেতন আগরওয়ালের হবু স্ত্রীকে নিয়ে যা যা জানা যাচ্ছে, তা রীতিমতো গায়ে কাঁটা দেওয়া। ২০ বছর বয়সী সিয়া গোয়েল কীভাবে তার হবু বরকে হত্যা করার জন্য ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা করেছিলেন, তা নিয়ে নানা রকম খবর আসছে সূত্র মারফৎ। অভিযোগ এই সিয়া তার প্রেমিক চেতনের সঙ্গে জোট বেঁধেই কেতনকে খুন করার নিখুঁত পরিকল্পনা করে ফেলেছিলেন। অভিযোগ, হবু বরকে পাহাড়ের চূড়া থেকে ধাক্কা দেওয়ার মাত্র ৩৪ মিনিট আগে প্রেমিক তথা সহ-অভিযুক্ত চেতন চৌধুরীকে ফোন করেন সিয়া। আর তারপরে একটি দীর্ঘ গোপন ফোনালাপ হয়।
তদন্তকারী সূত্রের দাবি, মোবাইলের কল ডিটেইলস রেকর্ড (CDR) এবং ফরেনসিক বিশ্লেষণে এই ফোনকলের তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশ মনে করছে, ওই ফোনালাপেই হত্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছিল। তদন্তকারীদের অনুমান, সিয়া ফোনে চেতনকে দুর্গের নির্দিষ্ট অবস্থান জানান এবং সেখানে অন্য কোনও পর্যটক নেই বলেও নিশ্চিত করেন। পুলিশ আরও জানিয়েছে, সিয়া ও চেতন হত্যার পরিকল্পনার সঙ্গে সম্পর্কিত সব চ্যাট তারা মুছে ফেলে। এছাড়াও তারা ফোনে রাখেনি তিন মাসেরও বেশি সময়ের হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম চ্যাট, ভয়েস নোট এবং অন্যান্য তথ্য। বর্তমানে সাইবার বিশেষজ্ঞদের সাহায্যে সেই মুছে ফেলা তথ্য পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
তদন্তকারীরা উদ্ধার হওয়া ডিজিটাল তথ্য, লোকেশন লগ এবং ইন্টারনেট আইপি অ্যাড্রেস বিশ্লেষণ করে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৩ ধারায় পূর্বপরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ আরও শক্তিশালী করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পুলিশের অভিযোগ, গত ১৮ জুন লোহাগড় দুর্গে সিয়া গোয়েল তার বাগদত্তা কেতন আগরওয়ালকে পাহাড়ের চূড়া থেকে ধাক্কা দিয়ে হত্যা করেন। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, এটি প্রথম চেষ্টা ছিল না। মে মাসের শেষেই হত্যার পরিকল্পনা করা হয় এবং এরপর ১৪ জুন প্রথমবার একইভাবে হত্যার চেষ্টা করা হলেও কেতন একটি ঝোপ আঁকড়ে প্রাণে বেঁচে যান। পরে সিয়া দাবি করেছিলেন, সাপ দেখে ভয় পেয়ে ভুলবশত ধাক্কা লেগে যায়। পুলিশের দাবি, প্রথম চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর ১৮ জুন দ্বিতীয়বার পরিকল্পনা কার্যকর করা হয়। সেই সময় চেতন চৌধুরীও দুর্গ পর্যন্ত তাদের অনুসরণ করেন, যাতে কেতন পালাতে না পারেন। তদন্ত এখনও চলছে। উদ্ধার হওয়া ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ গোটা ষড়যন্ত্রের ছবিটা আদালতের সামনে তুলে ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আরও পড়ুন : 'প্রেমিকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে হবু স্বামীকে হত্যা', তারপরই আবেগঘন পোস্ট সোশ্যালে, হাড়হিম করা অপরাধ!























