তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ‘ধর্ষণ’-খুন, স্থানীয়দের মারে হাসপাতালে অভিযুক্ত

পশ্চিম মেদিনীপুর: যাঁকে কাকা বলে ডাকত, তাঁর বিরুদ্ধেই তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে গলা টিপে খুনের অভিযোগ! শুধু খুন নয়, ধর্ষণ করে খুন বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের নিব্রা গ্রামে। অভিযুক্তকে গণপিটুনি, বাড়িতে আগুন উত্তেজিত জনতার। পরিবারের দাবি, সোমবার দুপুরে বাড়ির কাছে সাইকেল চালানো শিখছিল বছর আটের মেয়েটি। কিছুক্ষণ পর তাকে দেখতে না পেয়ে শুরু হয় খোঁজ। প্রতিবেশী যুবক গৌতম সিংহও খোঁজাখুঁজি শুরু করে। কিন্তু দেখা যায়, গৌতমের বাড়ির সামনেই পড়ে রয়েছে নাবালিকার সাইকেলটি। সন্দেহ হয় প্রতিবেশী ও পরিবারের সদস্যদের। তাঁর ঘরে ঢুকতে গেলে গৌতম বাধা দেন বলে অভিযোগ। জোর করে ভেতরে ঢুকতেই দেখা যায়, ঘরে বিবস্ত্র অবস্থায় পড়ে রয়েছে তৃতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রীর দেহ। এরপরই গৌতমকে উত্তম-মধ্যম দেয় গ্রামবাসীরা। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় তাঁর বাড়িতে। খড়গপুর লোকাল থানার পুলিশ গিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। গ্রামবাসীদের মারে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, তৃতীয় শ্রেণির এই ছাত্রীকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, কারও যাতে তার দিকে সন্দেহ না হয়, সেজন্যই খোঁজাখুঁজি শুরু করে অভিযুক্ত যুবকও। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।






















