ট্রেনই ভ্রাম্যমান ভ্যাকসিনেশন সেন্টার, 'আরোগ্য'-সূচনা পূর্ব রেলের
থাকছে হেলথ চেক আপ সেন্টারও।

কলকাতা : ভ্রাম্যমান টিকাকরণ সেন্টার থেকে দুয়ারে ভ্যাকসিনেশন, করোনাকালে মানুষের প্রয়োজনে দেখা গিয়েছে নানা অভিনব পদক্ষেপ। এবার কর্মী ও তাঁদের পরিবারের লোকজনের ভ্যাকসিনেশনের জন্য বিশেষ পদক্ষেপ করল পূর্ব রেল। ট্রেনের কোচকেই ভ্রাম্যমাণ টিকাকরণ সেন্টার বানিয়ে তুলল তারা। 'আরোগ্য' নামের এই বিশেষ ট্রেনে থাকছে হেলথ ইউনিট। যেখানে থাকবেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, নার্সরা। পাশাপাশি থাকছে করোনা টিকাকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা।
বাতানুকুল এই ট্রেনে ভ্যাকসিনেশন সেন্টার থেকে অবজারভেশন রুম, থাকছে সবই। পূর্ব রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, রেলকর্মীদের পরিবারের লোকজন, অবসরপ্রাপ্ত রেলকর্মী ও ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার্সদের টিকাকরণ করা হবে 'আরোগ্য'তে। জানা যাচ্ছে, ট্রেনটির যাত্রাপথ নির্দিষ্ট করা হয়নি। তবে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে যাবে ট্রেনটি। আপাতত প্রত্যেক সফরে ভ্যাকসিনের ১৪০টি করে ডোজ দিয়ে পরিষেবা শুরু হবে। পরে যা আরও বাড়ানো হবে বলেই জানানো হয়েছে।
শুক্রবার সকালে শিয়ালদা স্টেশন থেকে ট্রেনের এই ভ্রাম্যমান হেলথ ও কোভিড ভ্যাকসিনেশন ইউনিটটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল। পূর্ব রেলের সাব ডিভিশনাল ম্যানেজার এসপি সিংহ আনুষ্ঠানিকভাবে যার উদ্বোধন করেন। 'আরোগ্য'র যাত্রা শুরু করার অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন পূর্ব রেলের চিফ মেডিক্যাল অফিসার চিকিৎসক রণেন্দ্রু ভট্টাচার্য। তাঁদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পূর্ব রেলের অধীনস্থ বিআর সিংহ হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসক, নার্সরা থাকবেন ট্রেনের এই ভ্রাম্যমাণ হেলথ ও ভ্যাকসিনেশন ইউনিটের সঙ্গে।
বাতানুকুল ইএমইউ কোচ তথা 'আরোগ্য' তে রোগীদের, চিকিৎসকদের ঘরের পাশাপাশি ভ্যাকসিনেশনের ঘর, টিকাকরণের জন্য পর্যবেক্ষণের ঘর, এমনকি ছোটখাটো অপারেশনের জন্যও আলাদা ঘর থাকছে। বিভিন্ন স্টেশনে স্টেশনে গিয়ে রেলকর্মীদের হেলথ চেক আপও করা হবে এই কোচের মাধ্যমে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা ভ্যাকসিনেশনের ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলেও জানান পূর্ব রেলের আধিকারিকরা। কেন্দ্রের পাশাপাশি রাজ্যের তরফেও ভ্যাকসিনের সরবরাহের দিকটি দেখা হচ্ছে বলেও জানান তারা।
Before You Go
Nandigram By Election: "Milan Pradhan নির্বাচনে লড়বে", 'সুপ্রিম' নির্দেশের পর বললেন Subhankar Sarkar





















