সরকারি নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে স্কুল খোলায় কড়া পদক্ষেপ উত্তর দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের
স্কুল খোলা থাকায় কারও কোনও অসুবিধা হয়নি, দাবি স্কুল কর্তৃপক্ষের।

সুদীপ চক্রবর্তী, করণদিঘি: সরকারি নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে স্কুল খোলায় কড়া পদক্ষেপ নিল উত্তর দিনাজপুর জেলা প্রশাসন। করণদিঘিতে বন্ধ করে দেওয়া হল বেসরকারি স্কুল। স্কুল খোলা থাকায় কারও কোনও অসুবিধা হয়নি, দাবি স্কুল কর্তৃপক্ষের।
সরকারি নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল। করোনা-বিধিকে উপেক্ষা করে উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘিতে খোলা হল বেসরকারি স্কুল। নিয়মভঙ্গের এখানেই শেষ নয়। খুদে পড়ুয়াদের মুখে নেই মাস্ক! সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং তো দূর স্কুল ভ্যানে গাদাগাদি করে যাতায়াত করানো হচ্ছে পড়ুয়াদের। খবর পেয়ে জেলাশাসকের নির্দেশে বন্ধ করা হল স্কুল।
দ্বিতীয় ঢেউ থেকে এখনও নিস্তার মেলেনি। গত ফেব্রুয়ারি বিধি মেনে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য খোলা হয়েছিল স্কুল। ফের সংক্রমণ বাড়তেই বন্ধ হয়েছে শ্রেণিকক্ষের পঠন পাঠন। সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তে রাশ টানতে বাতিল করা হয়েছে চলতি বছরের মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। এরই মধ্যে চোখ রাঙাচ্ছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। বিশেষজ্ঞদের একাংশের আশঙ্কা, তৃতীয় ডেউয়ে আক্রান্ত হতে পারে ছোটরাও। এই পরিস্থিতিতে মর্ডান কেজি স্কুলে চলছিল নার্সারি থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পঠনপাঠন। উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক অরবিন্দকুমার মীনা বলেন, খবর পেয়েছি। স্কুল বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছি। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত বছরই গড়ে ওঠে স্কুলটি। এখনও মেলেনি রেজিস্ট্রেশন নম্বর। করোনাআবহে নিয়মভঙ্গ করেও ভাবলেশহীন স্কুলের কর্ণধার। করণদিঘির মর্ডান কেজি স্কুলের কর্ণধার আব্দুল রাইহান বলেন, লকডাউনে বন্ধ ছিল, তিন চার দিন হল স্কুলটা খুলেছি। কেউ স্কুল বন্ধ করতে বললে বন্ধ করে দেব। মাস্ক পরাতে বললে পরিয়ে দেব। তিন চার মাস হল স্কুলের বয়স, রেজিস্ট্রেশন হয়নি। এভাবে স্কুল খোলায় সমালোচনায় সরব শিক্ষকদের একাংশ। ওই এলাকার বালিন্দা তথা শিক্ষক অপূর্বকুমার দাস বলেন, কার্যত লকডাউন চলছে। এই পরিস্থিতিতে স্কুল খোলা অপরাধ করেছে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে অভিভাবকেরাই বা কেন সন্তানদের স্কুলে পাঠালেন তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।






















