ই-মনোনয়নে হস্তক্ষেপ নয়, সিপিএমের মামলায় জানাল হাইকোর্ট

কলকাতা: ভাঙড়ের ন’জন প্রার্থীর হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো মনোনয়ন গ্রহণ করতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তবে বুধবার সিপিএম প্রার্থীদের অনলাইনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে আদালত কোনও হস্তক্ষেপ করতে চাইল না। সিপিএমের তরফে হাইকোর্টে আবেদন জানানো হয়, হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো ভাঙড়ের ন’জন প্রার্থীর মনোনয়নকে মান্যতা দিয়েছে আদালত। এই সময়ের মধ্যে সিপিএমের যে প্রার্থীরা ইমেলে কমিশনের কাছে মনোনয়ন পাঠিয়েছেন, তাও বৈধ বলে গ্রাহ্য করা হোক। বিচারপতি সুব্রত তালুকদার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সচিব নীলাঞ্জন শান্ডিল্যর কাছে জানতে চান, আইনে কি এরকম সংস্থান আছে? কমিশনের সচিব উত্তরে জানান, পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত আইনের ৪৬-এর (১) নম্বর ধারায় বলা আছে, মনোনয়নের সময় প্রার্থী বা প্রস্তাবককে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে। ইমেলে মনোনয়ন পেশের সংস্থান এই আইনে নেই। সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য তখন বলেন, ভাঙড়ের প্রার্থীদের হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো মনোনয়ন তো গ্রহণ করা হয়েছে। এই বিষয়টিও ভেবে দেখা হোক। কিন্তু, বিচারপতি সুব্রত তালুকদার জানিয়ে দেন, মঙ্গলবারের নির্দেশ বিশেষ পরিস্থিতিতে দেওয়া হয়। সেটা সকলের জন্য নয়। বিচারপতি এও স্পষ্ট বলে দেন, অনলাইনে মনোনয়নের বিষয়টিতে আদালত হস্তক্ষেপ করার প্রয়োজন মনে করছেন না। সিঙ্গল বেঞ্চের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে যাওয়ার কথা ভাবছে সিপিএম। পঞ্চায়েত সংক্রান্ত একের পর এক মামলা নিয়েও আদালত চত্বরে তরজায় জড়িয়েছে শাসক-বিরোধী। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিরোধীরা মামলাকে দীর্ঘায়িত করছে। আদালত হস্তক্ষেপ করতে চাইছে না। সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য রবীন দেব পাল্টা প্রশ্ন, প্রতিকার চাইতে কোথায় যাব? সিপিএমের তরফে এদিন আরেকটি আদালত অবমাননার মামলাও করা হয়। মনোনয়নে অতিরিক্ত দিনে যেভাবে সন্ত্রাস চালানো হয়েছে, তার প্রেক্ষিতে আদালতের কাছে হস্তক্ষেপের আর্জি জানায় তারা। হাইকোর্ট মামলাটি গ্রহণ করেছে। শুনানি হবে জুন মাসে। তার মধ্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য পুলিশের ডিজি-কে হলফনামা দিয়ে বক্তব্য জানাতে হবে।
Before You Go
Baruipur Incident | যাঁরা দোষী তাঁদের শান্তি পেতে দেখতে চাই : Locket Chatterjee






















