Ajit Pawar News : 'বিধ্বস্ত' ! 'দাদা' অজিত পাওয়ারের মৃত্যুতে হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে পোস্ট সুপ্রিয়া সুলের; বারামতীর উদ্দেশ্যে রওনা
Maharashtra Politics : কয়েক দশক ধরে মহারাষ্ট্রের সমবায় আন্দোলন, গ্রামীণ রাজনীতি এবং মুম্বই ও দিল্লিতে ক্ষমতার সমীকরণ পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পাওয়ার পরিবার।

মুম্বই : বিমান দুর্ঘটনায় অকাল প্রয়াণ মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের। স্তম্ভিত রাজনৈতিক মহল। খবর পেয়ে বারামতীর উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি-শরদচন্দ্র পাওয়ার (NCP-SP)-র নেত্রী ও বোন সুপ্রিয়া সুলে, অজিত পাওয়ারের স্ত্রী সুনেত্রা ও ছেলে পার্থ। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সুপ্রিয় তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে লিখলেন, "বিধ্বস্ত।"
কীভাবে দুর্ঘটনা ?
মহারাষ্ট্রের বারামতীতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে উপ মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের। প্রাইভেট বিমানে ছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে বিমানে থাকা আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। এদিন সকাল ৮টা নাগাদ মুম্বই বিমানবন্দর থেকে ওড়ে অজিত পাওয়ারের বিমান। দুর্ঘটনার আগে এক বার অবতরণের চেষ্টা করেছিল বিমানটি। দ্বিতীয়বার অবতরণের আগে 'মে ডে' কল করেন পাইলট। জরুরি অবতরণের অনুমতি দেয় বারামতী বিমানবন্দর। নামার আগেই পৌনে ৯টা নাগাদ বারামতীর কাছে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বিমাটি। দুর্ঘটনার পরই আগুন দেখা যায় দুর্ঘটনাস্থলে, সঙ্গে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশে। পরপর বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ক্ষণিকের মধ্যেই ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। নির্বাচনী প্রচারে বারামতীতে যাচ্ছিলেন অজিত পাওয়ার। তার আগেই অভিশপ্ত বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মৃত্যু হল তাঁর।
রাজনীতিতে পাওয়ার পরিবার
কয়েক দশক ধরে মহারাষ্ট্রের সমবায় আন্দোলন, গ্রামীণ রাজনীতি এবং মুম্বই ও দিল্লিতে ক্ষমতার সমীকরণ পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পাওয়ার পরিবার। বরাবর ঐক্যবদ্ধ থাকা এই পরিবারে ২০২৩ সালে ভাঙন ধরে। যখন অজিত পাওয়ার এনসিপিতে একটি বড় বিভাজনে নেতৃত্ব দেন। কাকা শরদ পাওয়ারের দল থেকে বেরিয়ে বিজেপি-শিবসেনা জোটে যোগ দেন তিনি। সেই সময় চর্চা শুরু হয়েছিল যে, দলীয় স্তরে শরদ পাওয়ারের কন্যা সুপ্রিয়া সুলের উত্থানের ফলে এই বিভেদ। বারামতির সংসদ সদস্য এবং এনসিপির জাতীয় মুখ, সুলে-কে পরিমার্জিত, যোগাযোগ রেখে চলার জন্য দক্ষ এবং জাতীয় স্তরে অভিজ্ঞ হিসেবে দেখা হত। বিপরীতে, অজিত পাওয়ারের রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা সংজ্ঞায়িত হয়েছিল সাহসী এবং ঝুঁকি নেওয়ার ইচ্ছার মাধ্যমে।
জনসমক্ষে সেই সময় ভেদাভেদের খবর সামনে এলেও, সেই সময়ও সুপ্রিয়া জানিয়েছিলেন, দাদা অজিত পাওয়ারের সঙ্গে তাঁর কোনও মতভেদ নেই। তিনি বলেছিলেন, "রাজনীতির মধ্যে সম্পর্ক আসা উচিত নয়। এনসিপি এবং অজিত পাওয়ারের মধ্যে লড়াই আদর্শগত, ব্যক্তিগত নয়।" সম্প্রতি পুণে পৌরনিগম নির্বাচনের আগেও সুলে মন্তব্য করেন, তাঁদের পরিবারে কোনও সমস্যা নেই।





















