TCS Nasik Office : যৌন হেনস্থা-ধর্মান্তরের বিরাট চক্র অফিসের মধ্যেই! অভিযোগের ঝড়ের মধ্যেই বড় বয়ান TCS-এর
এতদিন নানা পক্ষ থেকে নানা অভিযোগ উঠছিল। এবার সব প্রশ্নের মুখে জবাব দিল টিসিএস।

নাসিক : টিসিএস-নাসিক কাণ্ড। প্রতিদিনই নানাবিধ হাড়হিম করা ঘটনা উঠে আসছে। আলোচনায় এইচআর নিদা খানের ভূমিকা। অফিসের মধ্যেই ধর্মান্তর ও যৌন অসদাচরণের অভিযোগে উত্তাল হয়েছে দেশ। এরই মধ্যে মুখ খুলল তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা Tata Consultancy Services (TCS)। এতদিন নানা পক্ষ থেকে নানা অভিযোগ উঠছিল। এবার সব প্রশ্নের মুখে জবাব দিল টিসিএস।
শুক্রবার টিসিএস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নাসিক ইউনিটের সিস্টেম ও রেকর্ডের প্রাথমিক পর্যালোচনায় এমন কোনও অভিযোগের প্রমাণ মেলেনি। বিশেষ করে সংস্থার ‘এথিক্স’ এবং POSH (Prevention of Sexual Harassment) চ্যানেলের মাধ্যমেও কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি বলেই দাবি করেছে টিসিএস। তবে বিষয়টির গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে TCS। গঠন করা হচ্ছে একটি নজরদারি কমিটি। তদন্ত প্রক্রিয়ায় বাহ্যিক সংস্থাকেও যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা । এই তদন্ত কমিটির মাথায় থাকবেন কেকি মিস্ত্রি। এর মাধ্যমে পুরো বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখার চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই পুলিশ সাত জন কর্মীকে গ্রেফতার করেছে । ধৃতদের মধ্যে ছয় জন পুরুষ এবং এক জন মহিলা রয়েছেন।
ঘটনার সূত্রপাত হয় এক মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে। তিনি দাবি করেন, তার সহকর্মী দানিশ শেখ ২০২২ সালে বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন, যদিও সেই সময়ে তিনি অন্য এক মহিলার সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন। এই অভিযোগ সামনে আসার পরই বিষয়টি ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়েছে সারা দেশ। প্রশ্নের মুখে এখন টিসিএস-নাসিকের নিরাপত্তা এবং নৈতিকতা! TCS জানিয়েছে, তারা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছে।
টিসিএস বিবৃতিতে আরও স্পষ্ট করেছে যে, নিদা খান সংস্থার এইচআর ম্যানেজার নন এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার দায়িত্বেও ছিলেন না। তিনি একজন প্রসেস অ্যাসোসিয়েট হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং তাঁর কোনো নেতৃত্বমূলক দায়িত্ব ছিল না।
তবে টিসিএস-এর নাসিক শাখায় শুধু যে মহিলারাই যৌন হেনস্থা ও ধর্মান্তর সিন্ডিকেটের শিকার হয়েছে এমন নয়, সামনে এসেছে, এক পুরুষ কর্মীর ওপর অত্যাচারের অভিযোগও। কেবল মহিলারাই নন, এই সংস্থায় পুরুষ কর্মীরাও যে ধর্মীয় ও মানসিক নিপীড়নের শিকার হতেন , তেমন ঘটনাও সামনে এসেছে। অভিযোগ, তাঁকে জোর করে টুপি পরিয়ে নামাজ পড়তে এবং কলমা পড়তে বাধ্য করা হত। এমনকি তাঁর ব্যক্তিগত জীবন ও পরিবার নিয়েও কুরুচিকর মন্তব্য করা হত বলে অভিযোগ। এখন এই তালিকা কতটা লম্বা হয়, সেটাই দেখার।
সেরা শিরোনাম























