Teachers Counting Stray Dogs: জনগণনা, জাতিগণনা, SIR…এখন গুনতে হবে পথকুকুরও! সরকারি নির্দেশিকায় ক্ষুব্ধ বিহারের শিক্ষক-শিক্ষিকারা
Bihar Stray Dogs: সাসারাম পৌরসভা জানিয়েছে, সরকারের কথা মতোই নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

লখনউ: জনগণনার কাজ করেছেন, BLO হিসেবে ডিউটি করতে হয়েছে SIR-এর সময়। জাতিগণনার কাজও তাঁদেরই করতে হয়েছে। এবার নতুন কাজ দেওয়া হল বিহারের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। এবার রাস্তায় নেমে পথকুকুর গোনার কাজ দেওয়া হল, যা নিয়ে জোর তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে। শিক্ষাব্যবস্থা যখন ধুঁকছে, সেই অবস্থায় সরকারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দিনের পর দিন অন্যত্র পরিশ্রম করানো হচ্ছে কেন, উঠছে প্রশ্ন। এতকিছু সামাল দিতে গিয়ে আসল কাজটাই বাদ পড়ে যাচ্ছে বলে উঠছে অভিযোগ। স্কুল থেকে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বের করে এনে অন্য কাজ করানো নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরাও। (Bihar Stray Dogs)
সাসারাম পৌরসভার তরফে যে নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে পৌরসভা এলাকার অন্তর্গত সমস্ত স্কুলকে বলা হয়েছে নোডাল অফিসার নিয়োগ করে পথকুকুর সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। বলা হয়েছে, বিদ্য়ালয় সংলগ্ন এলাকা এবং আশপাশে পথকুকুরের সংখ্যা কত, তাদের কী অবস্থা, পথকুকুরদের নিয়ন্ত্রণে আনতে কী করা যায়, তা নিয়ে তথ্য জমা দিতে হবে। বলা হয়েছে, পথকুকুরদে জন্য একটি ‘ডগ পাউন্ড’ গড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার, যাতে পথকুকুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। তাই এমন উদ্যোগ। (Teachers Counting Stray Dogs)
সাসারাম পৌরসভা জানিয়েছে, সরকারের কথা মতোই নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের এই কাজে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, যাতে সঠিক তথ্য হাতে আসে এবং সেই মতো পদক্ষেপ করা যেতে পারে। পথকুকুরদের এক এক করে গোনা, সেই সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের এই নির্দেশে ক্ষুব্ধ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একাংশও। তাঁরা জানিয়েছেন, আগে থেকেই জনগণনা, SIR, জাতিগণনার মতো শিক্ষা সম্পর্কিত নয়, এমন অনেক কাজ করানো হচ্ছে তাঁদের। এখন আবার পথকুকুর গোনার দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে ঘাড়ে।
सासाराम नगर निगम ने शिक्षकों को कुत्ते भगाने का काम भी दे दिया है ..!
— Mukesh singh (@Mukesh_Journo) January 7, 2026
एक आदेश जारी किया गया है जिसमें आवारा कुत्तों की जानकारी के लिए प्रत्येक स्कूल में नोडल अधिकारी नियुक्त करने को कहा गया है, जिससे शिक्षकों पर ही परिसर और आसपास से कुत्ते भगाने की जिम्मेदारी आ गई है।#Bihar… pic.twitter.com/iTttgOIzhl
তবে শুধুমাত্র বিহার নয়, দিল্লিতেও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পথকুকুর গোনার কাজে নামানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে সম্প্রতি দাবি করে আম আদমি পার্টি। সেই মর্মে একটি লিখিত নির্দেশিকাও ছড়িয়ে পড়ে। বিতর্ক শুরু হলে দিল্লির ডিরেক্টরেট অফ এডুকেশন জানায়, দিল্লি সরকারের তরফে এই মর্মে নির্দেশ দেওয়া হয়নি। বরং ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর যে সার্কুলার দেওোয়া হয়, তা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনেই প্রকাশ করা হয়। পথকুকুরদের থেকে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিতকরণই লক্ষ্য। শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরই পথকুকুর গুনতে হবে, এমন কিছু বলা নেই বলেও দাবি করে তারা।
শুধু তাই নয়, যে বা যাঁরা ভুয়ো তথ্য ছড়াচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে। এ নিয়ে থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। নিজেদের শিক্ষক-শিক্ষিকা বলে দাবি করে, বেশ কিছু মানুষ পথকুকুর গোনার ভিডিও আপলোড করছেন বলেও জেনেছে দিল্লির শিক্ষা দফতর। পুলিশকে সব জানিয়েছে তারা।
এ নিয়ে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকেও এক হাত নেন দিল্লির শিক্ষামন্ত্রী আশিস সুদ। কেজরিওয়ালের উদ্দেশে চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পথকুকুর গোনার কাজে নামানো হচ্ছে বলে প্রকাশ্যে দাবি করেছেন আপনি। এই দাবি শুধুমাত্র ভুল নয়, গুরুতর তথ্যবিকৃতি। প্রশাসনে আপনার যা অভিজ্ঞতা, দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যে ভূমিকা আপনার, তাতে আপনার মন্ত্যব্য ভুল বোঝাবুঝি বলে এড়িযে যাওয়া যায় না’।






















