Gujarat Alchhol Seized: ‘ড্রাই স্টেট’ গুজরাতে অ্যাম্বুল্যান্সে মদপাচার, দরজা খুলে হতবাক পুলিশ
Ambulance Caught with Booze:

বরোদা: খাতায়কলমে ‘ড্রাই স্টেট’। সেই গুজরাতে প্রায় ২০০০ বোতল মদ উদ্ধার হল। তাও আবার অ্যাম্বুল্যান্সের মধ্যে থেকে। রোগী নয়, বেআইনি ভাবে ওই অ্যাম্বুল্যান্সে করে মদ পাচার হচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে। (Ambulance Caught with Booze)
গুজরাতের আমরেলি থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে। শুক্রবার ভাবনগর-রাজকোট হাইওয়েতে আটকানো হয় অ্যাম্বুল্যান্সটিকে। দ্রুত গতিতে ছুটি যাচ্ছিল সেটি। তাই রোগী রয়েছে বলেই মনে করেছিলেন সকলে। কিন্তু গোপন সূত্রে খবর আসে গাড়িতে বেআইনি জিনিস রয়েছে। (Gujarat Alchhol Seized)
আরও পড়ুন: ফাইভ স্টার হোটেলে রহস্যমৃত্যু পাইলটের, নিথর দেহ উদ্ধার হল, কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা
সেই মতো অ্যাম্বুল্যান্সটি দাঁড় করায় পুলিশ। আর দরজা খুলতেই দেখা যায় ভিতরে থরে থরে সাজানো রয়েছে দেশে তৈরি বিদেশি মদের সারি সারি বোতল। বেআইনি ভাবে দেশে তৈরি বিদেশি মদের ১৯৬৮টি বোতল উদ্ধার হয়। ক্যাবিনেটের নীচে লুকিয়ে রাখা ছিল বোতলগুলি।
গুজরাতের বিভিন্ন জায়গায় ওই অ্যাম্বুল্যান্স মদ পৌঁছে দিচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে। গুজরাতের রাজকোট থেকে মধ্যপ্রদেশে ওই বিপুল পরিমাণ মদ পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। সেই লক্ষ্যেই রাজকোট হয়ে যাচ্ছিল অ্যাম্বুল্যান্সটি। বিদেশি ধাঁচে যে দেশি মদ তৈরি হয় তাকে Indian Made Foreign Liquor (IMFL) বলা হয়। সেই IMFL-ই উদ্ধার হয়েছে।
আরও পড়ুন: বড় ধাক্কা খেল Tata Sons, প্রাইভেট কোম্পানি থাকার আবেদন খারিজ, IPO আনতেই হবে, জানিয়ে দিল RBI
জানা গিয়েছে, অ্যাম্বুল্যান্সের দরজা খুলে প্রথমে ভিতরে কিছু চোখে পড়েনি। হঠাৎ চোখ যায় মেডিক্যাল ক্যাবিনেটের দিকে, যার মধ্যে চিকিৎসার সরঞ্জাম রাখা থাকে সাধারণত। সেটির নীচেই লুকিয়ে রাখা ছিল মদের বোতলগুলি। স্ক্রুড্রাইভার ক্যাবিনেটটির উপরের অংশ খোলা হয়। বের করে আনা হয় মদের বোতলগুলি।
পুলিশ জানিয়েছে, ৬৭২টি ফ্লাস্ক উদ্ধার হয় অ্যাম্বুল্যান্স থেকে, যার প্রত্যেকটিতে ১৮০ মিলি মদ ধরে। McDowell’s No.1 অরিজিনিলা রিজার্ব হুইস্কি উদ্ধার হয় ১.৩৫ লক্ষ টাকা মূল্যেক। ১২৯৬টি ফ্লাস্কে ছিল Blender’s Pride Reserve Whisky. প্রত্যেকটি ফ্লাস্কে মদ ছিল ১৮০ মিলি করে, যার বাজারমূল্য ২.২১ লক্ষ টাকা।
অ্যাম্বুল্যান্সটি চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন যিনি, তিনিই অ্যাম্বুল্যান্সের মালিক বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাঁঁর নাম সাগর ওরফে লালো কমলেশ গোহেল। ৩৪ বছর বয়সি কমলেশ গোন্ডালের বাসিন্দা। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়ে। তবে এই প্রথম বার নয়, দ্বিতীয় দফাচ গুজরাত থেকে মধ্যপ্রদেশে পৌঁছে দিচ্ছিলেন তিনি। অন্য একজনের কাছ থেকে অ্যাম্বুল্যান্সটি কেনেন মদ পাচারের জন্যই। আসলে অ্যাম্বুল্যান্সটি সুরতের হাসপাতালের ছিল। হাতবদল হয়ে কমলেশের হাতে পৌঁছে।
খাতায় কলমে গুজরাত ‘ড্রাই স্টেট’। সেখানে মদ তৈরি, বিক্রি, মজুত এবং পান একেবারে নিষিদ্ধ। মদ পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়লে, মদ কেনাবেচা করলে ১০ বছর পর্যন্ত সাজার নিদান রয়েছে। জরিমানা হতে পারে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।






















