Car Driver: চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট মালিকের থেকে ১.৫১ কোটি টাকা চুরি করে মন্দিরে দান, ড্রাইভারের কাণ্ডে হইচই
Bengaluru Driver: চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত করে রাজেশকে খুঁজে বের করে এবং একটি নোটিশ জারি করে। ৯ মে রাজেশ তাদের সামনে এসে নিজের অপরাধ স্বীকার করে।

Bengaluru News: ভারতের বুকে প্রতিদিনই নানা ধরনের চুরির ঘটনা ঘটে, তবে সব ঘটনা সংবাদমাধ্যমের পাতায় উঠে আসে না। এমন একটি চুরির ঘটনা ঘটেছে যা নিয়ে হইচই সমাজমাধ্যমে, এর সঙ্গে জুড়ে আছে একটি অধ্যাত্মিক বিষয়ও ! টাকা চুরি করে সেই টাকার সবটাই নাকি মন্দিরে দান করে দিয়েছে এই ব্যক্তি। হয়ত এটাই ঈশ্বরের কাছে (Cab Driver) তাঁর ক্ষমা চাওয়ার একটি প্রক্রিয়া। চুরি করা টাকা হলেও মন্দিরে এই টাকা দান করার পরে আর ফেরত পাওয়া যায় না। অর্থাৎ সেই ব্যক্তি নিজের স্বার্থের জন্য কখনই আর সেই টাকা পেতে পারবে না। টাকার অঙ্ক শুনে চোখ কপালে উঠবে আপনার।
৫ মে বেঙ্গালুরুতে ঘটেছে এই ঘটনা। কোডান্ডারামাপুরার বাসিন্দা এক ৪৬ বছর বয়সী চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট তাঁর বিশ্বস্ত গাড়িচালকের হাতে ১.৫১ কোটি টাকা সহ একটি ব্যাগ দিয়েছিলেন রাখার জন্য। বাড়িতেই সেই ব্যাগটি দিয়েছিলেন সেই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। সেই চালকের নাম জানা গিয়েছে রাজেশ বিএন। বিগত ১০ বছর ধরে তিনি সেই সিএর সঙ্গে গাড়িচালক হিসেবে কাজ করছেন। সেই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট রাজেশকে বলেন ব্যাঙ্কে গিয়ে এই টাকাটা জমা দিয়ে আসতে তাঁর অ্যাকাউন্টে। যখন সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে আসছিলেন সেই মানুষটি, তিনি রাজেশকেও দেখতে পান না, এমনকী তাঁর গাড়িটিও সেখানে ছিল না।
সংবাদমাধ্যমে সেই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট জানিয়েছেন, 'আমি দ্রুত আমার অফিসের দিকে ছুটে যাই, আর দেখি সেখানেই আমার গাড়ি পার্কিং করা আছে। আমি যখন রাজেশকে ডাকলাম, সে বলল যে সে একটা ওষুধের দোকান থেকে ওষুধ কিনছিল আর সে ১০ মিনিটের মধ্যে ফিরে আসবে'। কিন্তু এরপরে সে ফিরে আসে না, আর তারপর থেকে তাঁকে ফোনেও আর পাওয়া যায় না।
চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত করে রাজেশকে খুঁজে বের করে এবং একটি নোটিশ জারি করে। ৯ মে রাজেশ তাদের সামনে এসে নিজের অপরাধ স্বীকার করে, তাঁকে আটক করা হয় সঙ্গে সঙ্গেই। তারপর পুলিশ তদন্ত করে জানতে পারে যে রাজেশ সেই চুরি করা টাকার মধ্যে ১ লাখ টাকার কাছাকাছি খরচ করেছে নিজের পরিবারের জন্য জিনিস কিনে। বেশ কয়েক হাজার টাকা সে মন্দিরের দানপাত্রে দান করে এসেছে। পুলিশ জানায় যে টাকা মন্দিরে দান করা হয়েছে তা আর ফেরত পাওয়া যাবে না।
দক্ষিণ ভারতের মন্দিরে একটা অলিখিত নিয়ম আছে যে একবার মন্দিরের হুন্ডিতে কিছু দান করে থাকলে তা আর ফেরত পাওয়া যাবে না কারণ তা দেবতার কাছে অনুদান হিসেবে জমা হয়েছে। এই টাকায় মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণ, কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়ে থাকে। আগের বছরও এমনই একটি ঘটনা ঘটেছিল। এক ব্যক্তির ১ লাখ টাকা দামের আইফোন ভুল করে পড়ে গিয়েছিল মন্দিরের দানপাত্রে। চেন্নাইয়ের থিরুপুরুর কান্দাস্বামী মন্দিরে এমন ঘটনা ঘটেছিল। মন্দির কর্তৃপক্ষ সেই ব্যক্তিকে স্পষ্ট জানিয়েছিল যে একবার কোনও কিছু দানপাত্রে পড়ে গেলে তা আর ফেরত দেওয়া হবে না।






















