Viral News: বিক্রির জন্য ফলের গায়ে ইঁদুরের বিষ! ভিডিও দেখলে আঁতকে উঠবেন
Malad Fruit Seller News: পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা জানিয়েছেন যে যাতে ফল নষ্ট না হয় তাই ইঁদুরের বিষ ব্যবহার করেছিলেন। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, এই ধরনের কাজ বেআইনি-বিপজ্জনক

Viral News: মুম্বইয়ের (Mumbai) মালাড (Malad) এলাকার দুই ফল বিক্রেতার 'কীর্তি'-তে রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। বিক্রির জন্য রাখা ফলের উপর ইঁদুর মারার বিষ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে ওই দুই ফলবিক্রেতার বিরুদ্ধে। সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) ভাইরাল এই খবর। ভিডিও দেখে আঁতকে উঠেছেন অনেকে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত দুই ফল বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মালাড থানার তরফে জানা যাচ্ছে, স্থানীয় এক ব্যক্তির অভিযোগের পর ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। প্রমাণস্বরূপ একটি ভিডিও দেখিয়ে মালাড পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। বিভিন্ন রিপোর্ট সূত্রে খবর, অভিযোগ পেয়েই পুলিশ রাস্তার ধারের ওই ফলের দোকানে যায়। জিজ্ঞাসাবাদের পর দোকানটি সিল করে দেওয়া হয়। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে যে দোকান থেকে ইঁদুর মারার ওষুধ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, এই ইঁদুর মারার বিষয়ে রয়েছে হলুদ ফসফরাসের মতো বিষাক্ত রাসায়নিক। যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।
যে ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে, অভিযুক্ত ফলবিক্রেতা (Fruit Seller) একহাতে কলা আর অন্যহাতে ইঁদুর মারার বিষের টিউব ধরে আছেন। সেখানে কথোপকথন খানিকটা এরকম -
ফলবিক্রেতা: কলাগুলো খারাপ হয়ে গেছে।
যিনি ভিডিও করছেন: বাচ্চারা এগুলো খায় আর আপনি এগুলোর ওপর বিষ লাগিয়ে দিচ্ছেন! এগুলো কেন করছেন?
ভাইরাল ভিডিওর মাধ্যমে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাস্তার পাশের দোকানগুলির খাবার কতটা নিরাপদ, সেগুলির ক্ষেত্রে আদৌ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হয় কিনা ইত্যাদি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়রা সাধারণত রাস্তার ধারের ফলের দোকান থেকেই ফল কেনাকাটা করেন। এবার এমন ঘটনা তাঁদের কাছে চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা জানিয়েছেন যে যাতে ফল নষ্ট না হয় তাই তাঁরা ইঁদুরের বিষ ব্যবহার করেছিলেন। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, এই ধরনের কাজ একেবারেই বেআইনি ও বিপজ্জনক - এর ফল মারাত্মক হতে পারে। ইঁদুরের বিষ লাগানো ফলগুলি খেলে বমি, পেটে ব্যথা, অঙ্গহানি এবং বিষক্রিয়ার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। এই দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩ এর ১২৫, ২৭৪, ২৭৫ এবং ২৮৬ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত চলছে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের (Police) তরফে।























