Optical Illusion: চোখ ধাঁধানো ছবিতে লুকিয়ে বিড়াল-হরিণ? আপনি দেখতে পাচ্ছেন?
Optical Illusion Picture: সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা জানালেন, এই দৃষ্টিভ্রম আমাদের মস্তিষ্কে ঠিক কী ভাবে প্রভাব বিস্তার করে থাকে।

কলকাতা: নেটদুনিয়ায় (Internet) ভাইরাল (Viral) হয়েছে দৃষ্টিবিভ্রমকারী একটি ছবি। সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) ভাইরাল হয়েছে এই কালো দাগের ছবিটি। বহু দর্শক এই ছবির মধ্যে কিছুই খুঁজে পাচ্ছেন না। আবার অনেকেই এতে পেয়েছেন বিড়ালের (Cat) মুখ এবং হরিণের (Deer) ছবি।
সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা জানালেন, এই দৃষ্টিভ্রম আমাদের মস্তিষ্কে ঠিক কী ভাবে প্রভাব বিস্তার করে থাকে। নার্ভের চিকিৎসার বিশেষজ্ঞরা বলেন, আমাদের মস্কিষ্কে যে অপূর্ণ বাস্তবতার নকশা তৈরি হয় তাই-ই হল অপটিকাল ইলিউশন। সাদা কালো এই ছবিতে নাকি লুকিয়ে রয়েছে বিড়াল ও আমেরিকার মুজ প্রজাতির হরিণ।
টম হিকস নামক এক ব্যক্তি এই ছবিটি প্রকাশ করেছেন টুইটারে। তাঁর দাবি এই ছবিতে কোনও ব্যক্তি বিড়াল না হরিণ কোনটির মুখ দেখতে পাবেন তা দেখে বোঝা যাবে মস্তিষ্কের বাঁ দিক না ডান দিক, কোনটি বেশি সচল ওই ব্যক্তির। তবে কোনও পশুর মুখ দেখতে হলে ছবিটি দেখতে হবে একটু দূর থেকে। কোনও অংশ বড় করলে বা আংশিক ভাবে দেখলে বোঝা যাবে না কিছুই।
আরও পড়ুন, 'চলমান ছবি'? তাকিয়ে থাকলে মাথা ঘুরে যাচ্ছে আপনার?
সম্প্রতি ইন্টারনেটে এমন বেশ কিছু দৃষ্টিভ্রমকারী ছবি বেশ জনপ্রিয় হয়েছে এবং সোশালে ঘুরে বেড়াচ্ছে। অদ্ভুত ছবির ভিতর থেকে কিছু একটা খুঁজে বের করার প্রয়াস অনেকেরই ভালো লাগছে। একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবেও নিয়ে থাকেন অনেকে। এই অপটিক্যাল ইলিউশন বা দৃষ্টিভ্রম হল আদতে আলোর খেলা। এই আলোর খেলা আমাদের মস্তিষ্কের উপরে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করে থাকে।
টমের দাবি, এটি আসলে এক ধরনের দৃষ্টিভ্রম ছাড়া কিছুই নয়। কারণ বিড়াল বা হরিণ কোনও কিছুরই আলাদা করে দেওয়া নেই এতে। পাশাপাশি কোন পশু দেখা গেলে কেন মস্তিষ্কের কোনও দিক বেশি সচল বলে প্রমাণিত হয় তা-ও নিশ্চিত করে বলতে পারেননি কেউ। তবে যাঁরা ছবিটি দেখেছেন তাঁদের অনেকেই যেমন পশুর মুখ দেখতে পেয়েছেন, তেমনই কেউ কেউ খুঁজে পাননি কিছুই। সাধারণত বাঁ দিক বেশি সচল হলে মানুষ বেশি যুক্তিবাদী ও হিসেবি হয় বলে মনে করেন কেউ কেউ, অপর দিকে ডান দিক বেশি সক্রিয় হলে সৃজনশীলতা বেশি থাকে বলে মনে করা হয়।
Before You Go
Kolkata News: বালিগঞ্জে খুলল বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম বিপণির নতুন শোরুম। উদ্বোধন করলেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ






















