Alwar Horror: স্ত্রী ছেড়ে গিয়েছে, কালো জাদু করে স্ত্রীকে ফেরাতে ৫ বছরের শিশুকে ‘বলি’ ! ঘটনা শুনে গা শিউরে উঠবে
Rajasthan News: তদন্তের পরে জানা যায় মনোজের কীর্তি এবং সোমবার তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আরও জেরা করায় মনোজ স্বীকার করেন যে তিনি নিজেই তাঁর ভাইপো লোকেশকে মেরেছেন।

আলোয়ার: এক ৫ বছরের শিশুকে হত্যার ঘটনা ধরা পড়েছে রাজস্থানের খৈরতাল জেলার মুন্দাওয়ার থানা এলাকায়। তিন দিন আগেই সেই শিশুটিকে খুন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। পুলিশ সূত্রে খবর, সেই শিশুটিকে তাঁর কাকা একটি কালো জাদুর তন্ত্রসাধনায় (Sorcery) বলি দিয়েছেন নিজে এবং এর মাধ্যমে বাপের বাড়ি থেকে তাঁর স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছিলেন সেই ব্যক্তি। মুন্দাওয়ার থানার প্রধান পুলিশ অধিকর্তা মহাবীর সিং জানান, সরাই গ্রামের একটি খড়ের চালার ঘরে সেই ৫ বছরের শিশুটির মৃতদেহ পড়ে থাকার খবর (Rajasthan News) পেয়েছিলেন তারা। শিশুটির নাম জানা গিয়েছে লোকেশ এবং যখন ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায় সেখানে শিশুটির কাকা মনোজ উপস্থিত ছিলেন।
তদন্তের পরে জানা যায় মনোজের কীর্তি এবং সোমবার তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আরও জেরা করায় মনোজ স্বীকার করেন যে তিনি নিজেই তাঁর ভাইপো লোকেশকে মেরেছেন। জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায় মৃত শিশুটি আদপে তাঁর স্ত্রীর ভাইপো ছিল। এর সঙ্গে মনোজ আরও জানান গৃহস্থালির কিছু বিষয় নিয়ে প্রবল ঝামেলা-অশান্তির পরে তাঁর স্ত্রী রাগের মাথায় বাপের বাড়ি চলে যান। আর সেখান থেকে ফিরতে চাইছিলেন না কিছুতেই। আর তাকেই ফিরিয়ে আনতে সুশীল কুমার নামে এক তান্ত্রিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। সেই তান্ত্রিক সাম্মানিক হিসেবে ১২ হাজার টাকা দাবি করেন এবং মনোজকে বলেন একট শিশুর বলি দিতে হবে আর সেই শিশুর রক্ত দিয়েই হবে তন্ত্র সাধনা।
এরপরে মনোজ তাঁর স্ত্রীর ভাইপোর দিকে নজর দেন। শনিবার বিকেলবেলায় লোকেশ নামের সেই ছেলেটিকে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যান মনোজ, তাঁকে লোভ দেখান যে লজেন্স ক্যান্ডি কিনে দেবেন। সেই বাড়িতেই তাঁকে মেরে ফেলেন মনোজ, আর তাঁর মৃতদেহ খড়ের গাদার তলায় লুকিয়ে রাখেন। তার আগে সিরিঞ্জের সাহাযে সেই শিশুটির শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে রক্ত সংগ্রহ করে নিয়েছিলেন মনোজ। পুলিশ অধিকর্তা জানিয়েছেন যে সেই সিরিঞ্জটিও উদ্ধার করা হয়েছে আর এর সঙ্গে সেই তান্ত্রিককে খুনে প্ররোচনা দেওয়ার অপরাধে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখনও চলছে তদন্ত।
গত বছর পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমানেও এমনই এক ঘটনা ঘটেছিল। পূর্ব বর্ধমানে তন্ত্র সাধনায় সিদ্ধিলাভ করতে একজন যুবককে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল এক সাধুবাবার বিরুদ্ধে। সাধুবাবা মিলন নাইয়া ওরফে মিলন সাধুকে গ্রেফতার করেছিল স্থানীয় পুলিশ।






















