Barrackpore News: ব্যারাকপুর ক্যান্টনমেন্টে বসানো হল স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি। উদ্যোক্তা ব্যারাকপুর রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশন।
ABP Ananda Live: ব্যারাকপুর ক্যান্টনমেন্টে বসানো হল স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি। উদ্যোক্তা ব্যারাকপুর রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশন। মঙ্গলবার, বিবেকানন্দের এই মূর্তিটি উন্মোচন করেন ব্যারাকপুরের রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশনের কর্ণধার ও সম্পাদক স্বামী নিত্যরূপানন্দজি মহারাজ। ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহে শহিদ মঙ্গল পাণ্ডের স্মৃতি বিজড়িত ব্যারাকপুর ক্যান্টনমেন্টের চৌনি এলাকায় বিবেকানন্দের এই মূর্তিটি বসানো করা হয়। মিশনের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের মোট ৫০টি মূর্তি দেওয়া হয়েছে মিশনের তরফে।
শিল্প চলে যাওয়ার ১৮ বছর পার, ১৮ জানুয়ারি শিল্প হারা সিঙ্গুরেই প্রধানমন্ত্রীর জনসভা
ফের রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী মোদির জনসভা। মূলত নতুন বছরে পা দিয়ে, বিধানসভা ভোটের আগে, ফের রাজ্যে আসছেন নরেন্দ্র মোদি। ১৭ জানুয়ারি মালদার ইংরেজবাজারে সভা। পরের দিন হুগলির সিঙ্গুরে সভা করবেন নরেন্দ্র মোদি। শিল্প চলে যাওয়ার ১৮ বছর পরে , ১৮ জানুয়ারি শিল্প হারা সিঙ্গুরেই রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা। জানা যাচ্ছে, ওই দিনই সিঙ্গুর থেকে হুগলি-পুরুলিয়া লোকালের উদ্বোধন হবে। সরকারি অনুষ্ঠানের পরেই সিঙ্গুরে জনসভা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদির।
ভোট আসে, ভোট যায়, কিন্তু রাজ্যের শিল্পের বহর বাড়ে না, বরং একে একে কল-কারখানায় তালা পড়ে, আর বন্ধ তালায় জং! কোভিড পরিস্থিতিতে যখন তৃতীয়বার সরকার গঠন হয়েছিল, সেসময় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, এবারের প্রথম লক্ষ্য 'শিল্প।' সেই কথা মত তিনি বছর বছর বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলনও করেছেন। দিয়েছেন প্রচুর কর্মসংস্থানেরও বার্তাও। বলাইবাহুল্য তাঁতে মোটেই চিড়ে ভেজেনি, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির। প্রতিটা সম্মেলনের সঙ্গে সঙ্গেই উঠে এসেছে, একটাই প্রশ্ন, আগের প্রতিশ্রুতিগুলির কী হল ? সবথেকে বড় কথা, কোনও সরকারি প্রকল্পই, টাটা বিদায়ের ক্ষত ভরাতে পারেনি বলেই দাবি বাম-বিজেপি দলগুলির। বরং প্রতিটা ভোটের আগে এই প্রশ্নই বড় হয়ে উঠেছে।


















