Asian Wrestling Championship: এশিয়ান কুস্তি চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জিতলেন সুনীল, পদকের খাতা খুলল ভারত
Sunil Kumar: টুর্নামেন্টের সুনীল কোয়ার্টার ফাইনালে হারিয়ে দিয়েছিলেন তাজিকিস্থানের প্রতিপদ্বন্দ্বী সুখরোব আব্দুলখায়েভকে। তাঁর বিরুদ্ধে ১০-১ বিরাট ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিলেন সুনীল।

জর্ডন: এশিয়ান রেসলিং চ্যাম্পিয়নশিপে পদকের খাতা খুলল ভারত। ৮৭ কেজি গ্রেকো-রোমান বিভাগে ব্রোঞ্জ জিতলেন ভারতের সুনীল কুমার। চিনের প্রতিদ্বন্দ্বী জিয়াকসিং হুয়াংকে হারিয়ে দেন সুনীল। জর্ডনে আয়োজিত হওয়া এবারের এশিয়ান রেসলিং চ্যাম্পিয়নশিপে এটাই প্রথম পদক ভারতের। সেমিতে হেরে গিয়ে সোনা ও রুপো জয়ের সুযোগ নষ্ট করে ফেলেছিলেন সুনীল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত খালি হাতে ফিরছেন না তিনি। উল্লেখ্য়, এর আগে ২০১৯ সালে এই প্রতিযোগিতা থেকেই রুপো জিতেছিলেন ভারতীয় কুস্তিগীর। ৫-১ স্কোরলাইনে জয় পান সুনীল।
টুর্নামেন্টের সুনীল কোয়ার্টার ফাইনালে হারিয়ে দিয়েছিলেন তাজিকিস্থানের প্রতিপদ্বন্দ্বী সুখরোব আব্দুলখায়েভকে। তাঁর বিরুদ্ধে ১০-১ বিরাট ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিলেন সুনীল। সেমিতে জায়গা পাকা করলেও সেখানে হেরে গিয়ে সোনাজয়ের স্বপ্নভঙ্গ হয়। তবে খালি হাতে ফিরবেন না, এই প্রত্যয় ছিলই। সেই মতই ব্রোঞ্জ পদক জয়ের লড়াইয়ে কোনও ভুল করতে চাননি সুনীল। প্রতিপক্ষকে দাঁড়াতেই দেননি এই কুস্তিগীর।
সুনীলের কুস্তিতে সাফল্য এই প্রথম নয়। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ২০২০ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের সোনা, ২০২২ এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ, ২০২৩ এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ। গ্রেকো-রোমান কুস্তিতে দেশের এই মুহূর্তের সেরা সুনীলই। আপাতত অলিম্পিক্সে পদকজয়ই সুনীলের একমাত্র লক্ষ্য।
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আটকে গেল ভারত
এএফসি এশিয়ান কোয়ালিফায়ার ২০২৭-এর প্রথম ম্যাচেই ওপার বাংলার দলের বিরুদ্ধে আটকে গেলেন লিস্টন কোলাসোরা। ম্যাচটিকে হামজা চৌধুরী বনাম সুনীল ছেত্রীর লড়াই বলে প্রমোট করা হচ্ছিল। সেই ম্যাচশেষে আংশিক হলেও সাফল্যের পাল্লা হামজার দিকেই ঝুঁকে। বাংলাদেশের জালে বল জড়াতে ব্যর্থ সুনীল ছেত্রী। গোলশূন্য ড্রয়ে শেষ হল ম্যাচ। ১৯৯৯-এর পর এই প্রথম দুই দলের মধ্যে ম্যাচের ফল হল ০-০।
বাছাই পর্বের গ্রুপ ‘সি’-তে থাকা অপর দুই দল হংকং ও সিঙ্গাপুর-ও এদিন গোলশূন্য ড্র করে। ফলে গ্রুপের প্রতিটি দলই একই জায়গায় রয়ে গেল। ভারতের স্বস্তির কারণ বলতে শুধুমাত্র এটুকুই। মঙ্গলবারের ম্যাচে ভারতের পারফরম্যান্স দেখে হতাশ এবং ক্ষুব্ধ খোদ কোচ মানোলো মার্কেজই। ম্যাচের পরে সম্প্রচার সংস্থার ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, “দলের এই পারফরম্যান্সে আমি শুধু হতাশ নই, ক্ষুব্ধও। এত খারাপ পারফরম্যান্স দেখে আমি অবাকও হয়েছি।” সারা ম্যাচে বাংলাদেশও কম সুযোগ পায়নি। এবং প্রতিপক্ষের মতো তারাও সেই সুযোগগুলি নষ্ট করেছে।






















