Mukhtar Hussain: ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের ওপর গতিতে বোলিং, দলীপ ট্রফিতে আকাশ দীপের বিকল্প কে?
Akash Deep Replaced Mukhtar: ২৬ বছরের এই তরুণ পেসারের বাড়ি আসামে। ১৪০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিতে বল করার জন্য নজর কেড়েছেন মুখতার। আসামের জার্সিতে তিন ফর্ম্য়াটেই খেলেছেন মুখতার।

নয়াদিল্লি: ভারতীয় ক্রিকেট দলে টেস্ট ফর্ম্য়াটে এখন অটোমেটিক চয়েস আকাশ দীপ। বাংলার এই তারকা পেসার সাদা পোশাকের ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের মাটিতে গত টেস্ট সিরিজে দাপট দেখিয়েছেন। এজবাস্টন টেস্টে একাই ১০ উইকেট নিয়েছিলেন দুটো ইনিংস মিলিয়ে। ম্য়াচের সেরাও নির্বাচিত হয়েছিলেন। যদিও সিরিজের পাঁচটি ম্যাচেই খেলা হয়নি তাঁর। এমনকী ২৮ বছরের এই পেসারের সমস্যা দেখা গিয়েছে ফিটনেস নিয়েও। এবার আকাশ দীপকে দেখা যাবে না আগামী দলীপ ট্রফিতে। তাঁর পরিবর্তে এবার দলীপ ট্রফির ইস্ট জোন দলে ঢুকে পড়লেন মুখতার হোসেন।
কিন্তু কে এই মুখতার হোসেন? ২৬ বছরের এই তরুণ পেসারের বাড়ি আসামে। ১৪০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিতে বল করার জন্য নজর কেড়েছেন মুখতার। আসামের জার্সিতে তিন ফর্ম্য়াটেই খেলেছেন মুখতার। ২০১৭-২০১৮ কোচবিহার ট্রফিতে ৩৫ উইকেট নিয়েছিলেন মুখতার। ১৭.৮৮ গড়ে বোলিং করেছিলেন মুখতার। লিস্ট এ-তেও অভিষেক করেন মুখতার। বিজয় হাজারে ট্রফিতে ২০১৮ সালে অভিষেক হয় মুখতারের। এরপর রঞ্জি ট্রফিতে ৪০ উইকেট নেন তিনি। নিজের প্রথম রঞ্জি মরশুমেই ঝাড়খণ্ড, ত্রিপুরা, জম্মু কাশ্মীর ও উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে মুখতারের পারফরম্য়ান্স ছিল নজরকাড়া। এখনও পর্যন্ত ৪০টি প্রথম শ্রেণির ম্য়াচে মোট ১৩২ উইকেট নিয়েছেন মুখতার। ৬টি ম্য়াচে পাঁচবার পাঁচ উইকেট নিয়েছেন। লিস্ট এ-তে ৫২ উইকেট নিয়েছেন। টি-টোয়েন্টিতে ৩৯ উইকেট নিয়েছেন।
আকাশদীপের অনুপস্থিতিতে মহম্মদ শামিকে দেখা যাবে দলীপ ট্রফিতে পূর্বাঞ্চলের বোলিং বিভাগের নেতৃত্ব দিতে। মুকেশ কুমারও থাকবেন। পূর্বাঞ্চলের অধিনায়ক ঈশান কিষাণ। অভিমন্যু ঈশ্বরণ সহ অধিনায়ক। দলে রয়েছেন রিয়ান পরাগ, বিরাট সিংহ, কুমার কুশাগ্রা।
ইংল্যান্ড থেকে দেশে ফিরেই দামি গাড়ি কিনেছিলেন আকাশ দীপ । টয়োটা ফরচুনার কিনলেন ডানহাতি পেসার। যার আধুনিক মডেলের বাজারদর ৫২ লক্ষাধিক টাকা । কালো রংয়ের সেই গাড়ির সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের ছবিও পোস্ট করলেন আকাশ দীপ। সোশ্যাল মিডিয়ায় সূর্যকুমার যাদব থেকে শুরু করে অর্শদীপ সিংহ, অনেকেই অভিনন্দন জানিয়েছেন আকাশ দীপকে। মাঠের বাইরে আকাশ দীপের কঠিন সময় যাচ্ছে । মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে বাবা এবং দাদাকে হারাতে হয়েছে বাংলার হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা পেসারের । পরিবারের দায়িত্ব এসে পড়েছিল আকাশের কাঁধে । সেখান থেকে ক্রিকেট খেলেই পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন আকাশ ।




















