PAK vs Oman: ওমানকে দুরমুশ করে এশিয়া কাপ অভিযান শুরু, ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে ছন্দে পাকিস্তান
Asia Cup 2025: নিজেদের এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে ওমানকে ৯৩ রানে পরাজিত করল সলমন আলি আগার নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান দল।

দুবাই: ব্যাট হাতে খুব বড় রান তুলতে পারেনি, তবে দুরন্ত বোলিংয়ে ভর করে ওমানকে দুরমুশ করল পাকিস্তান (Pakistan Cricket Team)। ৯৩ রানে ম্যাচ জিতে নিজেদের এশিয়া কাপ (Asia Cup 2025) অভিযান শুরু করলেন সলমন আলি আগারা। দলের হয়ে বোলিংয়ে সুফিয়ান মুকিম, ফাহিম আশরাফ ও সইম আয়ুব তিনজনেই দুইটি করে উইকেট নেন।
ব্যাট হাতে অবশ্য পাকিস্তানের হয়ে তেমন কেউই বড় রান করতে পারেননি। তবে নজর কাড়লেন পাকিস্তান দলের কিপার-ব্যাটার মহম্মদ হ্যারিস (Mohammad Harris)। সাতটি চার ও তিনটি ছক্কার সুবাদে ৪৩ বলে ৬৬ রানের ইনিংস খেলেন হ্যারিস। তাঁর ব্যাটে ভর করেই পাকিস্তান বোর্ডে ১৬০ রান তুলতে সক্ষম হয়, যা শেষমেশ জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল। ১৬১ রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ৬৭ রানেই অল আউট হয়ে গেল ওমান দল। ওমানের হয়ে কোনও ব্য়াটারই রান পেলেন না। ওমানের হয়ে কেবল তিন ব্যাটারই দুই অঙ্কের রান করতে পারলেন। হামাদ মির্জা সর্বাধিক ২৭ রানের ইনিংস খেলেন।
Pakistan complete formalities with a thumping win! ✌️
— AsianCricketCouncil (@ACCMedia1) September 12, 2025
Led by Haris & powered by lower order cameos, 🇵🇰 had a score on the board their bowlers had no problems defending. #PAKvOMAN #DPWorldAsiaCup2025 #ACC pic.twitter.com/wYdhkpS2HK
এরপরেই রবিবার ভারতের বিরুদ্ধে একই মাঠে খেলতে নামবে পাকিস্তান। এমন বিধ্বংসী বোলিংয়ের মাধ্যমে কিন্তু টিম ইন্ডিয়াকেও কার্যত সতর্কবার্তাই দিয়ে রাখল পাকিস্তান।
এদিন ম্য়াচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান অধিনায়ক সলমন। তবে শুরুটা একেবারেই ভাল করেনি তাঁর দল। ম্যাচের দ্বিতীয় বলেই খাতা খোলার আগে সাজঘরে ফেরেন সাইম আয়ুব। ফয়জল শাহ তাঁকে আউট করেন। এরপরে অবশ্য শাহিবজাদা ফারহানের সঙ্গে ৮৫ রানের পার্টনারশিপে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান হ্যারিস। ফারহান ২৯ রানে আউট হন। এই পার্টনারশিপ ভাঙার পরেই একের পর এক পাক ব্যাটার সাজঘরে ফিরতে থাকেন। ৬৬ রানে আউট হন হ্যারিসও। ৩১ রানের ব্য়বধানে চার উইকেট হারায় পাকিস্তান। কোনওক্রমে ১৫০ রানের গণ্ডি পার করে পাক দল। আমির কালিম ও ফয়জল শাহ তিনটি করে উইকেট নেন।
রানের লক্ষ্যমাত্রা একেবারেই অসম্ভব ছিল না। তবে নিরন্তর ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে ওমান কোনওভাবেই লড়াই গড়ে তুলতে পারেনি। একসময় তো মনে হচ্ছিল ওমান হয়তো ৫০ রানের গণ্ডিই পার করতে পারবে না। শেষমেশ ৬৭ রানে অল আউট হয় ওমান।




















