Babar Azam: কেন এশিয়া কাপের দল থেকে বাদ বাবর? কী বললেন পাকিস্তানের হেডকোচ?
Asia Cup: আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাবরের রেকর্ড কিন্তু বেশ ঈর্ষণীয়। মোট ৪২২৩ রান করেছেন তাঁরা ৩৯.৯ গড়ে। স্ট্রাইক রেট ছিল ১২৯.২।

করাচি: এশিয়া কাপের জন্য ১৭ সদস্যের পাকিস্তান স্কোয়াড ঘোষণা করে দিয়েছে পিসিবি। সলমান আলি আঘার নেতৃত্বে এশিয়া কাপে খেলতে নামবে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। কিন্তু সবচেয়ে আলোচ্য যে বিষয় দলে জায়গা করতে পারেননি সে দেশের ২ তারকা ব্যাটার বাবর আজম ও মহম্মদ রিজওয়ান। কুড়ির ফর্ম্য়াটে তাহলে কি বাবর ও রিজওয়ানের জন্য পাকিস্তান দলের দরজা একেবারে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে?
পাকিস্তান ক্রিকেট দলের হেডকোচ মাইক হেসন এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বর্তমান পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি দলের প্লেয়ারদের পারফরম্য়ান্স ও ধারাবাহিকতার জন্যই কিন্তু বাবর ও রিজওয়ানের জায়গা হয়নি। কারণ বর্তমান টি-টোয়েন্টি দলের কাউকে বাদ দেওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি জানিয়েছেন, ''বাবর আজমের কিছু জায়গায় আরও উন্নতি করার প্রয়োজন আছে। ওকে সেটা বলাও হয়েছে। বিশেষ করে ওঁর স্ট্রাইক রেট আর ওঁর স্পিনের বিরুদ্ধে খেলা। বাবর একজন বিশ্বমানের ব্যাটার। তাই নিজেকে ফের ফিরিয়ে আনতে হলে ওঁকে এই জায়গাগুলো অবশ্যই উন্নতি করেই ফিরতে হবে।'' উল্লেখ্য, বাবর আপাতত খারাপ ফর্মের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি আইসিসি ব়্যাঙ্কিংয়েও ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছেন। দীর্ঘদিন ব্যাটে শতরান নেই।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাবরের রেকর্ড কিন্তু বেশ ঈর্ষণীয়। মোট ৪২২৩ রান করেছেন তাঁরা ৩৯.৯ গড়ে। স্ট্রাইক রেট ছিল ১২৯.২। যদিও ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একেবারেই নজরকাড়া পারফর্ম করতে পারেননি বাবর। মাঝের ওভারগুলোতে বড় রানও করতে পারছেন না বাবর।
এদিকে শুধু বাবর আজম নন। বাদ পড়েছেন মহম্মদ রিজওয়ানও। রিজওয়ান ও বাবর ওয়েস্ট ইন্ডিজ়েও পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডের অংশ ছিলেন না। সেই সিরিজ় ২-১ স্কোরলাইনে জেতে পাকিস্তান। সেই সিরিজ়ের অধিনায়ক সলমনকেই কিন্তু এশিয়া কাপের জন্যও অধিনায়কত্বের দায়িত্বে বহাল রাখল পাক বোর্ড। এশিয়া কাপের জন্য তরুণ দলই নির্বাচিত করেছে পাকিস্তান বোর্ড। সিনিয়র ক্রিকেটারদের মধ্যে শাহিন, হ্যারিস রউফ, ফখর জামান ও খুশদিল শাহই এশিয়া কাপের জন্য নির্বাচিত দলে সুযোগ পেয়েছেন।
পাকিস্তানের ঘোষিত ১৭ জনের এশিয়া কাপ দল:-
সলমন আলি আগা (অধিনায়ক), মহম্মদ হারিস (উইকেটরক্ষক), ফখর জামান, আবরার আমেদ, ফাহিম আশরাফ, হ্যারিস রউফ, হাসান আলি, হাসান নওয়াজ, হুসেন তালাত, খুশদিল শাহ, মহম্মদ নওয়াজ, মহম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, শাহিবজাদা ফারহান, শাহিন শাহ আফ্রিদি, সুফিয়ান মোকিম, সাঈম আয়ুব, সলমন মির্জা




















