Indian Cricket: দেখতে দেখতে ১৪ বছর পার, আজকের দিনেই ওয়াংখেড়েতে বিশ্বজয় করেছিল ধোনির ভারত
2011 World Cup: সেদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারা। লঙ্কা ব্রিগেডের টপ অর্ডারে দিলশান ও সাঙ্গাকারা দুজনেই দুর্দান্ত শুরু করেছিলেন।

মুম্বই: আরও একটা ২ এপ্রিল চলে এল। এই দিনটাই ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য ভীষণ স্পেশাল। কারণ আজকের দিনেই ১৪ বছর আগে দ্বিতীয়বারের জন্য ওয়ান ডে বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির নেতৃত্বে ওয়াংখেড়েতে সেবার ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে দেয় ভারতীয় দল। কপিল দেবের পর দ্বিতীয় ভারত অধিনায়ক হিসেবে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছিলেন ধোনি। একমাত্র ভারত অধিনায়ক হিসেবে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ান ডে বিশ্বকাপ জয়ের নজিরও গড়েছিলেন। যে রেকর্ড আজও অক্ষত।
সেদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারা। লঙ্কা ব্রিগেডের টপ অর্ডারে দিলশান ও সাঙ্গাকারা দুজনেই দুর্দান্ত শুরু করেছিলেন। দিলশান ৩টি বাউন্ডারির সাহায্য়ে ৩৩ রান করে। অধিনায়ক সাঙ্গাকার ৫টি বাউন্ডারির সাহায্য়ে ৪৮ রানের ইনিংস খেলেন। তবে ভারতীয় বোলিংয়ের চাপ বাড়িয়েছিলেন মিডল অর্ডারে নামান লঙ্কা কিংবদন্তি মাহেলা জয়বর্ধনে। ৮৮ বলে ১০৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন এই প্রাক্তন ডানহাতি। নিজের ইনিংসে ১৩টি বাউন্ডারি হাঁকান জয়বর্ধনে। শ্রীলঙ্কার লোয়ার অর্ডারে কুলশেখরা ও থিসারা পেরেরার যোগ্য সঙ্গে দেন মাহেলাকে। যার সুবাদে বোর্ডে ২৭৪/৬ তুলে নিতে পারে শ্রীলঙ্কা শিবির। ভারতীয় বোলারদের মধ্য়ে ২টো করে উইকেট নেন জাহির খান ও যুবরাজ সিংহ। একটি উইকেট নেন হরভজন সিংহ।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় ভারত। ফর্মে থাকা বীরেন্দ্র সহবাগকে প্রথম ওভারেই খাতা খোলার আগেই ফিরিয়ে দেন লাসিথ মালিঙ্গা। এরপর সচিনও ১৮ রান করে মালিঙ্গার বলে সাঙ্গাকরার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরত যান। ৬.১ ওভারে ৩১ রান বোর্ডে তুলতেই ২ উইকেট হারিয়ে বসে ভারত। সেখান থেকে দলের হাল ধরেন গৌতম গম্ভীর। প্রথমে তিনি পাশে পান বিরাট কোহলিকে। তরুণ বিরাট সেই ম্য়াচেও পরিণত ইনিংস খেলেছিলেন। চারটি বাউন্ডারির সাহায্য়ে ৩৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। দিলশানের বলে তাঁর হাতে অনবদ্য় ক্যাচে বিরাট ফিরলেও গম্ভীরকে ফেরাতে পারেননি শ্রীলঙ্কার বোলাররা। ধোনিকে নিয়ে এরপর বিজয়গাঁথা লেখা শুরু করে বাঁহাতি প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার। সেদিন দলের হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানটিও গম্ভীরেরই ছিল। মাত্র ৩ রানের জন্য নিজের শতরান মিস করেন গম্ভীর। ১২২ বলের ইনিংসে ৯টি বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিলেন গম্ভীর।
গম্ভীরের সাজানো মঞ্চে শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে নায়ক হয়ে যান মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। ৭৯ বলে ৯১ রানের ইনিংস খেলেন মাহি। ৮টি বাউন্ডারি ও ২টো ছক্কা হাঁকান ক্যাপ্টেন কুল। ২১ রানে অপরাজিত থাকেন যুবরাজ সিংহ। সেদিন ম্য়াচের সেরা হয়েছিল ধোনিই। ব্যাটে-বলে গোটা টুর্নামেন্টে দাপট দেখানো যুবরাজকে সিরিজ সেরা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল।




















