WTC Final 2025: লড়াকু পার্টনারশিপ স্টার্ক-হ্যাজেউলডের, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে প্রোটিয়াদের লক্ষ্য ২৮২
South Africa vs Australia Score: সেখান থেকেই তৃতীয় দিনে স্টার্কের অর্ধশতরান ও তাঁর হ্যাজেলউডের সঙ্গে লড়াকু পার্টনারশিপ। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংস যখন শেষ হল তখন তারা বোর্ডে যোগ করে ফেলেছে ২০৭ রান।

লন্ডন: টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল (WTC Final 2025) কে জিতবে। তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনের খেলা শুরুর আগে অনেকেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে (South Africa vs Australia) সম্ভাব্য বিজয়ী ধরে এগোচ্ছিলেন। তার কারণ ছিল অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে গতকাল যখন খেলা শেষ করে তখন ৮ উইকেট পড়ে গিয়েছিল ১৪০ রানের মধ্য়ে। কিন্তু সেখান থেকেই তৃতীয় দিনে স্টার্কের অর্ধশতরান ও তাঁর হ্যাজেলউডের সঙ্গে লড়াকু পার্টনারশিপ। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংস যখন শেষ হল তখন তারা বোর্ডে যোগ করে ফেলেছে ২০৭ রান। ২৮১ রানের লিড দ্বিতীয় ইনিংসে। অর্থাৎ প্রথমবার টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের খেতাব জিততে প্রোটিয়া শিবিরের চাই ২৮২ রান।
গতকাল একটা সময় ৭৩ রানের মধ্য়ে ৭ উইকেট হারিয়ে বসছিল অস্ট্রেলিয়া। মনে করা হচ্ছিল যে দ্বিতীয় ইনিংসে একশো রানও বোর্ডে তুলতে পারবে না বোধহয় অজিরা। কিন্তু খেলা বদলে গেল এরপরই। অস্ট্রেলিয়ার লোয়ার অর্ডার লড়াকু মানসিকতার পরিচয় দিল। প্রথমে অ্যালেক্স ক্যারির ৪৩ রান ও পরে মিচেল স্টার্কের অপরাজিত ৫৮ রানের ইনিংস। জশ হ্যাজেলউড স্টার্ককে যোগ্য় সঙ্গ দিয়ে ১৭ রানের ইনিংস খেলেন। দশম উইকেটে দুই অজি পেসার মিলে বোর্ডে ৫৮ রানের পার্টনারশিপ যোগ করেন। যা অস্ট্রেলিয়ার লিড আড়াইশোর গণ্ডি পার করিয়ে দেয়। গোটা ম্য়াচে রাবাডা তাঁর বোলিংয়ের দাপট দেখিয়েছেন। প্রথম ইনিংস পাঁচ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও চার উইকেট তুলে নিয়েছিলন। কিন্তু শেষ উইকেটটি কোনওভাবেই ফেলতে পারছিলেন না প্রোটিয়া বোলাররা। পরে অবশ্য পার্ট টাইম স্পিনার হিসেবে দায়িত্ব সামলানো এইডেন মারক্রাম।
এর আগে ম্য়াচে প্রথম ইনিংসে ২১২ রানে অল আউট হয়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। স্টিভ স্মিথ ও ওয়েবস্টার অর্ধশতরানের ইনিংস খেলেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আপ্রিকার প্রথম ইনিংসও শেষ হয় মাত্র ১৩৮ রানেই। রাবাডা প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্য়ে পাঁচ উইকেট নেন। অন্যদিকে অজি বোলিং লাইন আপকে নেতৃত্ব দেন প্য়াট কামিন্সই। একাই ৬ উইকেট তুলে নেন তিনি। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকই উইকেট হারাতে থাকে অজিরা। টপ অর্ডারের কোনও ব্য়াটারই ভরসা জোগাতে পারেননি। তবে শেষ পর্যন্ত লোয়ার অর্ডারের ব্যাটে নির্ভর করেই প্রোটিয়া শিবিরকে চাপে রাখার মত টার্গেট স্থির করে দিল অজিরা।




















