FIFA World Cup 2026: বিশ্বকাপে আরও একটি অঘটন! নেদারল্য়ান্ডসকে আটকে দিল জাপান
Football World Cup: যেখানে ইউরোপীয় ফুটবলের অন্যতম শক্তিধর দেশ নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে দিল জাপান। নেদারল্যান্ডস যে ম্য়াচে এগিয়ে থেকেই মাঠে নেমেছিল তা বলাই বাহুল্য।

ডালাস: বিশ্বকাপ ফুটবলে আরও একটি অঘটনের ম্য়াচ। যেখানে ইউরোপীয় ফুটবলের অন্যতম শক্তিধর দেশ নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে দিল জাপান। ২০১০ সালের সেমিফানাল খেলা নেদারল্যান্ডস (Netherlands vs Japan) যে ম্য়াচে এগিয়ে থেকেই মাঠে নেমেছিল তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু এশিয় ফুটবলের অন্য়তম শক্তিধর জাপান যে এভাবে ধাক্কা দেবে তা কে জানত? ম্য়াচে নেদারল্যান্ডেসের বিরুদ্ধে দু'বার পিছিয়ে পড়েছিল জাপান। কিন্তু তবুও তাঁরা ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্য়াচ ড্র করল ডাচদের বিরুদ্ধে। এর আগে মরক্কাে আটকে দিয়েছিল ব্রাজিলকে।
ম্যাচটি ছিল আক্রমণাত্মক ফুটবল ও শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় ভরপুর। স্টেডিয়ামে প্রায় ৭০ হাজারের কাছাকাছি দর্শক। দুটো অর্ধেই যতবার ডাচরা এগিয়ে যাচ্ছে, ততবারই যেন আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ফিরে আসছিল জাপান। খেলার শুরুতে নেদারল্যান্ডসের ড্যানিয়েল মালেন ম্যাচের প্রথম বড় সুযোগটি তৈরি করেন। কিন্তু জাপানের গোলরক্ষক জিয়ন সুজুকি তা আটকে দেন। ডাচরা আক্রমণ অব্যাহত রাখে, বিশেষ করে সেট-পিস থেকে, যেখানে মালেন আবারও একটি পরীক্ষা নেন। সুজুকিকে অবশ্য এই ক্ষেত্রে কোনও সমস্যায় পড়তে হয়নি। কারণ বল বারের ওপর দিয়ে চলে যায়। প্রথমার্ধে কোনও দলই গোল করতে পারেনি আর।
দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরুর ছয় মিনিট পরে আসে ম্য়াচের প্রথম গোল। ৫১ মিনিটের মাথায় লিভারপুল অধিনায়ক ভার্জিল ভ্যান ডাইক বক্সের ভেতরে সবার চেয়ে উঁচুতে উঠে ক্লাব সতীর্থ রায়ান গ্রাভেনবার্খের নিখুঁত ক্রস থেকে শক্তিশালী হেডে বল জালে ঢুকিয়ে দেন। তবে সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। জাপানের জবাব আসে সঙ্গে সঙ্গেই। মাত্র ছয় মিনিট পরে কেইতো নাকামুরা ফাঁকা জায়গা খুঁজে নিয়ে নিচু শটে বার্ট ভারব্রুগেনকে পরাস্ত করেন। এক ডিফেন্ডারের সামান্য স্পর্শ বলটিকে জালে পৌঁছাতে সাহায্য করে। ৬৪তম মিনিটে ক্রিসেনসিও সামারভিলের গোলে নেদারল্যান্ডস আবারও এগিয়ে যায়। উইঙ্গার ডান প্রান্ত থেকে ভেতরে কেটে এসে দুর্দান্ত কার্ল করা শটে সুজুকিকে পরাস্ত করে ডাচদের লিড ফিরিয়ে দেন।
গোলটি মনে হচ্ছিল দুই দলের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেবে, বিশেষ করে যখন দুই কোচই একাধিক পরিবর্তন এনে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তবে জাপান আরেকটি সাফল্যের খোঁজে সামনে এগিয়ে যেতে থাকে। নির্ধারিত সময় প্রায় শেষ হওয়ার মুখে, একটি কর্নার কিক থেকে দাইচি কামাদা ৮৮ মিনিটে বল জালে ঠেলে সমতাসূচক গোলটি করেন। এই দেরিতে করা গোলটি নিশ্চিত করে যে জাপান তাদের উদ্বোধনী ম্যাচ থেকে একটি মূল্যবান পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ল।






















