MS Dhoni: দিল্লি ম্যাচেও একাদশে নেই ধোনি, তাহলে কি গোটা আইপিএলেই দেখা যাবে না?
CSK vs DC: অনুশীলনের মঞ্চে ধোনি ফিরলেও তাঁকে কখনও মাঠে খেলতে দেখা যায়নি চেন্নাইয়ের জার্সিতে। কিন্তু দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে আজ সিএসকের ম্য়াচে কি ধোনিকে খেলতে দেখা যাবে?

চেন্নাই: আইপিএলে এখনও পর্যন্ত এবার মাঠে নামতে দেখা যায়নি মহেন্দ্র সিংহ ধোনিকে (MS Dhoni)। চলতি আইপিএল শুরুর আগেই চোট পেয়ে ছিটকে গিয়েছিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের (Chennai Super Kings) প্রাক্তন অধিনায়ক। কিন্তু এরপর থেকে চোট সারিয়ে অনুশীলনের মঞ্চে ধোনি ফিরলেও তাঁকে কখনও মাঠে খেলতে দেখা যায়নি চেন্নাইয়ের জার্সিতে। কিন্তু দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে আজ সিএসকের ম্য়াচে কি ধোনিকে খেলতে দেখা যাবে? উত্তরটা না। মহেন্দ্র সিং ধোনিকে দিল্লি ম্যাচেও খেলতে দেখা যাবে না। তিনি একাশে নেই।
কাফ পেসির চোটের কারণে ছিটকে গিয়েছিলেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। বেশ কিছুদিন আগে থেকেই চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে যদিও তাঁকে অনুশীলন করতে দেখা গেছে, তবুও ধোনি এখনও এই মরসুমে প্লেয়িং একাদশে জায়গা করে নিতে পারেননি। দিল্লি তাঁদের ঘরের মাঠে অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে খেলতে নেমেছে। কিন্তু তাঁর আগেই সিএসকে'র তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে ধোনি খেলতে পারবেন না। চেন্নাই সুপার কিংসের বোলিং কোচ এরিক সিমন্স জানিয়েছিলেন, 'ধোনিকে দিল্লির বিরুদ্ধে ম্য়াচে একাদশে পাওয়া যাবে না। কারণ ও দলের সঙ্গে দিল্লিতে যায়নি। সে অনুশীলন করছে। এমনকী প্রতিদিন শারীরিকভাবে আরও ফিট হয়ে উঠেছেন। তবে যখন সে নিজেই খেলার জন্য প্রস্তুত হবে, তখনই তাঁকে একাদশে খেলানোর বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করা হবে।'
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই মহেন্দ্র সিংহ ধোনি অন্য কারণে শিরোনামে উঠে এসেছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ভাইরাল পোস্টে দাবি করা হচ্ছিল যে চেন্নাই সুপার কিংসের কিংবদন্তি ক্রিকেটার মহেন্দ্র সিংহ ধোনিকে (MS Dhoni) সমীর রিজ়ভি নামাজ পড়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তারপরেই নাকি সমীর রিজ়ভিকে সিএসকের দল থেকে বাদ দেওয়া হয়। ধোনি বহুদিন ধরেই হাঁটুর সমস্যায় ভুগেছেন। তাঁর হাঁটুর অস্ত্রোপচারও করা হয়। একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে নেটিজেনরা দাবি করছেন সমীর রিজ়ভি নাকি ধোনিকে হাঁটুর চোটের সমস্যা থেকে সমাধান পাওয়ার জন্য তাঁকে নামাজ পড়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু আলোচনা যতই হোক না কেন, এই বিষয়ে এখনও কিন্তু কোনওরকম সরকারিভাবে সিএসকে, ধোনি বা সমীর রিজ়ভি, কারুর তরফেই মুখ খোলা হয়নি। সরকারি কোনও বিবৃতি বা কোনও ভরসাযোগ্য সূত্র বা ব্যক্তির এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য যেহেতু নেই, তাই সোশ্যাল মিডিয়ার এই দাবি দাওয়াগুলিকে আপাতত গুজব হিসাবেই ধরা যায়।



















