IPL Qualifier 2: দু'জনের সম্পর্ক নিয়ে জোর গুঞ্জন, কোয়ালিফায়ার ২-এ চাহাল সাফল্য পেতেই উচ্ছ্বাসে ভাসলেন মাহভাশ
Mumbai Indians vs Punjab Kings: কোয়ালিফায়ার ২ ম্যাচে একটাই সাফল্য পান যুজবেন্দ্র চাহাল। আর তারকা স্পিনার উইকেট পেতেই মাহভাশের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।

আমদাবাদ: অতীতে বারংবার দুইজনকে এক ফ্রেমে দেখা গিয়েছে। দুইজনের সম্পর্কের জোর গুঞ্জনও শোনা গিয়েছে। অবশ্য কেউই এখনও পর্যন্ত এতে সিলমোহর দেননি। তবে বারংবারই একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আইপিএল কোয়ালিফায়ার ২-এ পঞ্জাব কিংসের হয়ে যুজবেন্দ্র চাহাল (Yuzvendra chahal) আজ মাঠে নেমেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে। সেই ম্যাচে মাঠে উপস্থিত রয়েছেন মাহভাশ (RJ Mahvash)।
তিন ম্যাচ কব্জির চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিলেন যুজবেন্দ্র চাহাল। তবে অবশেষে দলের মরণ-বাঁচন ম্যাচে মাঠে নেমেছেন চাহাল। এই ম্যাচে নিজের চার ওভারে একটি মাত্র উইকেট পান চাহাল। তবে সেটি ছিল সেট সূর্যকুমারের যাদবের। আর তাঁর এই সাফল্যের পরেই পঞ্জাব কিংসের গোটা সমর্থকগোষ্ঠী উচ্ছ্বাসে ভেসে উঠে। সেই তালিকায় সামিল ছিলেন স্ট্যান্ডে উপস্থিত মাহভাশ, দলের কর্নধার প্রীতি জিন্টাও।
RJ Mahvash and Preity Zinta after Yuzvendra chahal took surya Kumar's wicket 🥳 pic.twitter.com/67zoxx6qgd
— Taukir (@Iamhiiiiiim) June 1, 2025
টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক সেট ছিলেন। ২৫ বলে ৪৪ রানে ব্যাট করছিলেন। তিনি যে ব্য়াট হাতে কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন তা সকলেই জানেন। তাই চাহালের এই উইকেটের গুরুত্বটা যে ঠিক কতটা, তা সকলেই জানেন। সেই কারণেই সম্ভবত মাহভাশদের উচ্ছ্বাসটাও ছিল চোখে পড়ার মতো।
এলিমিনেটরের মতো এদিনও শুরুতেই রোহিতের ক্যাচ পড়েছিল। এলিমিনেটরে দুবার প্রাণ পেয়ে ৫০ বলে ৮১ রান করে গুজরাত শিবিরে আঁধার নামিয়েছিলেন হিটম্যান। রবিবার অবশ্য সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না। মাত্র ৮ রান করে ফেরেন। আর একের পর এক প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে লড়াই করলেন সূর্যকুমার যাদব। কেন তিনি জাতীয় টি-২০ দলের অধিনায়ক, ফের একবার দেখিয়ে দিলেন। মাত্র ২৬ বলে ৪৪ রান করলেন স্কাই। গড়ে ফেললেন রেকর্ডও। চলতি আইপিএলে সাতশো রান হয়ে গেল তাঁর। যা রেকর্ড। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কোনও ব্যাটার এর আগে এক আইপিএলে এত রান করেননি। ১৬ ম্যাচে ৭১৭ রান হয়ে গেল তাঁর।
সূর্যর রেকর্ড গড়ার রাতে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন তরুণ তিলক বর্মাও। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ২৯ বলে করলেন ৪৪ রান। তৃতীয় উইকেটে ৪২ বলে ৭২ রান যোগ করে ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে তুলে নিলেন স্কাই ও তিলক। শেষ দিকে চালিয়ে খেলে ১৮ বলে ৩৭ রান করে গেলেন নমন ধীর। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে পাঁচবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নরা তুলল ২০৩/৬। এবার দেখার পঞ্জাব এই রান তাড়া করে ফাইনালে পৌঁছতে পারে কি না।




















