CSK vs KKR: ত্যাগীর আগুনে গতির পাশাপাশি স্পিনত্রয়ীর দুরন্ত বোলিং, KKR-র বিরুদ্ধে দু'শোর নীচেই থামল CSK ইনিংস
Kartik Tyagi: কেকেআরের হয়ে চার ওভারে ৩৫ রানের বিনিময়ে দুই উইকেট নেন কার্তিক ত্যাগী।

চেন্নাই: সাম্প্রতিক সময়ে কলকাতা নাইট রাইডার্সের ডেথ বোলিং নিয়ে প্রচুর প্রশ্ন উঠেছিল। লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে মূলত এই ডেথ বোলিংয়ে ব্যর্থতার জেরেই কার্যত জেতা ম্যাচ হারতে হয়েছিল কেকেআরকে। তবে সেই বিভাগে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে (CSK vs KKR) আমূল পরিবর্তন দেখা গেল। পাওয়ার প্লেতেই যেখানে সিএসকে ৭২ রান তুলে ফেলেছিল এবং ৯.৫ ওভারেই শতরানের গণ্ডিও পার করে ফেলেছিল, তবে শেষ পাঁচ কেকেআর ৫০ রানই দিল, পরিবর্তে সিএসকে দুই উইকেটও হারায়। এই ভাল ডেথ বোলিংয়ের সুবাদেই হলুদ বিগ্রেড দু'শোর গণ্ডি পার করতে পারল না।
কেকেআরের এই দারুণ কামব্যাকের কৃতিত্ব কিন্তু কার্তিক ত্যাগীকেই (Kartik Tyagi) দিতে হবে। তরুণ ফাস্ট বোলার নিজের গতি, ইয়র্কার এবং মন্থর গতির বলের মেলবেন্ধনে সিএসকে ব্যাটারদের বেশ বিপাকে ফেলেন। তবে কেকেআরের হয়ে পাল্টা লড়াইটা শুরু করেছিলেন দলের স্পিনাররা। অনুকূল রায় পাওয়ার প্লেতেও বেশ ভাল বোলিং করেন। আর পাওয়ার প্লে শেষ হতেই বরুণ চক্রবর্তী ও সুনীল নারিন, স্পিনজাল বোনেন। এই ত্রয়ী স্পিন এবং ত্যাগীর গতির মেলবেন্ধনেই সিএসকের ইনিংস পাঁচ উইকেটে ১৯২ রানে থামল।
এদিন শুরুতে টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ে সিদ্ধান্ত নেন কেকেআর অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে। দুই সিএসকে ওপেনার শুরুটা ভালই করেছিলেন। তবে নিজের প্রথম ওভারেই রুতুরাজ গায়কোয়াড়কে ফিরিয়ে কেকেআরকে প্রথম সাফল্য এনে দেন অনুকূল। এরপরে অকুতোভয় আয়ুষ মাত্রে ব্যাটিংয়ে নেমে বিধ্বংসী মেজাজে রান করতে শুরু করেন, সঞ্জু তো ফর্মে ছিলেনই। তড়তড়িয়ে এগোতে থাকে সিএসকের ইনিংস। পাওয়ার প্লের শেষ বলে ১৭ বলে ৩৮ রান করা মাত্রেকে সাজঘরে ফেরান বৈভব আরোরা।
তবে তখনও সঞ্জু স্যামসন ক্রিজে উপস্থিত ছিলেন। গত ম্যাচে শতরানের পর অর্ধশতরানের দিকে এগোচ্ছিলেন তিনি। তবে আগুনে গতির বলে কার্তিক ত্যাগী ৪৮ রানেই স্যামসনকে থামান। এরপরে ব্রেভিস ও সরফরাজ খান ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান। এই সময়ই বরুণ, সুনীল নারিনরা রান চাপতে শুরু করেন, নিরন্তর ব্যবধানে উইকেটও পরতে থাকে। এতেই রানের গতি আরও কমে। শেষমেশ পাঁচ উইকেটে ১৯২ রানে থামে সিএসকের ইনিংস।
রানের নিরিখে এটা নেহাত কম নয়, তবে সিএসকের হয়ে আয়ুষ মাত্রে, সঞ্জু স্যামসন যেমনভাবে পাওয়ার প্লেতে ব্যাট করছিলেন, তারপর কিন্তু এই রান সেই সময়ের সম্ভাব্য রানের থেকে অনেকটাই কম। এবার দেখার কেকেআরের ব্যাটাররা এই রান তুলে দলকে প্রথম জয় এনে দিতে সক্ষম হন কি না।



















