জাতীয় থেকে রাজ্য সড়ক, বর্ষা নামলেই বেহাল রাস্তা, সারানোর পরও কেন এমন হাল রাস্তার?
জাতীয় সড়ক থেকে রাজ্য সড়ক। বর্ষা নামলেই বেহাল রাস্তা। কলকাতা থেকে জেলা, সর্বত্র এক ছবি। বেশিরভাগ রাস্তাই খানাখন্দে ভরা। যে কোনও মুহূর্তে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। কিন্তু, কেন প্রতিবার বর্ষা নামতেই বেরিয়ে আসে রাস্তার কঙ্কালসার? তাহলে কী গোড়াতেই গলদ? কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকের অধীনস্থ সংস্থা সেন্ট্রাল রোড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রিপোর্টে অন্তত তেমনটাই ইঙ্গিত।
কেন্দ্রের রিপোর্ট অনুযায়ী, বেশি মুনাফার লোভে বিটুমিন যাতে কম লাগে সেজন্য পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতে রাস্তা তৈরির সময় বিটুমিনের সঙ্গে গিলসোনাইট নামে এক ধরনের রাসায়নিক মেশায় অসাধু ঠিকাদার সংস্থা। যা মূলত বিটুমিনের ভেজাল বলেই পরিচিত।
তবে, বিটুমিনের সঙ্গে গিলসোনাইট একবার মিশে গেলে, খালি চোখে সেই ভেজাল ধরা কার্যত সম্ভব নয়। ফলে বিটুমিন থাকলে রাস্তা যতটা মজবুত হওয়ার কথা, তা হচ্ছে না।
ফলে একটু বেশি গরম পড়লেই রাস্তা ফেটে যাচ্ছে। আর বৃষ্টি হলেই সেই ফাটল দিয়ে ভিতরে ঢুকছে জল। ভাঙছে রাস্তা।
সেন্ট্রাল রোড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রিপোর্টে এও বলা হয়েছে, দিল্লি ও উত্তর ভারতের বেশিরভাগ রাস্তা তৈরিতে বিটুমিনের সঙ্গে ব্যবহার করা হয় মাইক্রো সারফেসিং সলিউশন। যা স্টোনচিপকে আঠার মতো আঁকড়ে ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে সহজে নষ্ট হয় না রাস্তা। মজবুত রাস্তা তৈরি করতে এবার থেকে যাতে পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতেও বিটুমিনের সঙ্গে এই মাইক্রো সারফেসিং সলিউশন ব্যবহার করা হয়, সেই পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে সেন্ট্রাল রোড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তরফে।

জাতীয় সড়ক থেকে রাজ্য সড়ক। বর্ষা নামলেই বেহাল রাস্তা। কলকাতা থেকে জেলা, সর্বত্র এক ছবি। বেশিরভাগ রাস্তাই খানাখন্দে ভরা। যে কোনও মুহূর্তে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। কিন্তু, কেন প্রতিবার বর্ষা নামতেই বেরিয়ে আসে রাস্তার কঙ্কালসার? তাহলে কী গোড়াতেই গলদ? কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকের অধীনস্থ সংস্থা সেন্ট্রাল রোড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রিপোর্টে অন্তত তেমনটাই ইঙ্গিত।
কেন্দ্রের রিপোর্ট অনুযায়ী, বেশি মুনাফার লোভে বিটুমিন যাতে কম লাগে সেজন্য পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতে রাস্তা তৈরির সময় বিটুমিনের সঙ্গে গিলসোনাইট নামে এক ধরনের রাসায়নিক মেশায় অসাধু ঠিকাদার সংস্থা। যা মূলত বিটুমিনের ভেজাল বলেই পরিচিত।
তবে, বিটুমিনের সঙ্গে গিলসোনাইট একবার মিশে গেলে, খালি চোখে সেই ভেজাল ধরা কার্যত সম্ভব নয়। ফলে বিটুমিন থাকলে রাস্তা যতটা মজবুত হওয়ার কথা, তা হচ্ছে না।
ফলে একটু বেশি গরম পড়লেই রাস্তা ফেটে যাচ্ছে। আর বৃষ্টি হলেই সেই ফাটল দিয়ে ভিতরে ঢুকছে জল। ভাঙছে রাস্তা।
সেন্ট্রাল রোড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রিপোর্টে এও বলা হয়েছে, দিল্লি ও উত্তর ভারতের বেশিরভাগ রাস্তা তৈরিতে বিটুমিনের সঙ্গে ব্যবহার করা হয় মাইক্রো সারফেসিং সলিউশন। যা স্টোনচিপকে আঠার মতো আঁকড়ে ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে সহজে নষ্ট হয় না রাস্তা। মজবুত রাস্তা তৈরি করতে এবার থেকে যাতে পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতেও বিটুমিনের সঙ্গে এই মাইক্রো সারফেসিং সলিউশন ব্যবহার করা হয়, সেই পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে সেন্ট্রাল রোড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তরফে।























