CJP-Government Meeting | প্রায় দু'ঘণ্টা বৈঠক ককরোচ-কেন্দ্র, কী কী বিষয়ে আলোচনা হল?
অনড় CJP
কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠকেও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে অনড় ককরোচ জনতা পার্টি। শুক্রবার দুপুর দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী — জেপি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন সিজেপি-র দুই প্রতিনিধি সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা। ধর্মেন্দ্রের ইস্তফা ছাড়াও বৈঠকে আরও দুই দফা দাবির কথা জানান তাঁরা। প্রায় দু'ঘণ্টার বৈঠকে সিজেপি-র দাবি, ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে হবে। নিট-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষা বাতিলের পর আত্মহত্যা করা পড়ুয়াদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। পাশাপাশি, আন্দোলনরত পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সমস্ত মামলা ও এফআইআর প্রত্যাহার করতে হবে। যদিও এই দুই দাবি কেন্দ্র মেনে নিয়েছে বলেই জানিয়েছে সিজেপি-র প্রতিনিধিরা। সঙ্গে শনিবার বিকেল পর্যন্ত সময় চেয়েছে কেন্দ্র। শনিবার তাদের সঙ্গে কেন্দ্রের আরও একটি বৈঠক হতে পারে। ধর্মেন্দ্রকে না-সরানো হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার ডাকও দিয়েছে আন্দোলনকারী সংগঠন।
আন্দোলনের আঁচ কলকাতাতেও
দিল্লির বিক্ষোভের আঁচ পড়ল কলকাতাতেও। ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে পথে নামল SFI, DYFI-সহ মোট ৮টি বামপন্থী ছাত্র সংগঠন। যদিও সেই কোনও মিছিলেই অনুমতি দেয়নি লালবাজার। এদিকে বাম ছাত্র সংগঠনগুলি শিয়ালদা থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলের ডাক দেয়। শুরু হয় জমায়েত। কিন্তু শিয়ালদা ব্রিজেই আটকে দেওয়া হয় মিছিল।
রাষ্ট্রদ্রোহী কাজ বরদাস্ত নয়!
শহরজুড়ে বিদ্রোহে আঁচ। পথে নেমেছে একাধিক বামপন্থী ছাত্র সংগঠন। এই আবহে হুঙ্কার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। তাঁর সাফ বার্তা, রাষ্ট্রদ্রোহীদের পশ্চিমবঙ্গের বুক থেকে উপড়ে ফেলা হবে। শুভেন্দুর কথায়, "আমার উপর ছেড়ে দিন। মাত্র ১০ সপ্তাহ। পশ্চিমবঙ্গের বুক থেকে রাষ্ট্রদ্রোহী শক্তিগুলিকে উপড়ে ফেলা হবে। আর এই কাজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী করবেন। হোস্টেলে বসে ওই ধরনের কার্যকলাপ চলবে না। আমার কাছে সব তথ্য রয়েছে।"
যন্তরমন্তরে যাচ্ছেন মমতা
একুশের জুলাইয়ের সভা থেকেই 'ককরোচ'দের মিছিলে যোগদানের ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। নিট প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে দেশ উত্তাল সোমবার দিল্লি যাওয়ার সিদ্ধান্ত মমতার। ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের সমর্থনে যন্তরমন্তরেও যাচ্ছেন তিনি।

















