একাধিকবার যাত্রী বিক্ষোভের পর নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত রেলের, ‘কিছু ছাড় দিয়ে লোকাল ট্রেনও চালানো হোক’, দাবি দিলীপ ঘোষের
রেল কর্মীদের জন্য স্পেশাল ট্রেনে ওঠার দাবি। সোনারপুরের পর এবার হুগলির পাণ্ডুয়া, খন্ন্যান স্টেশনে রেল অবরোধ সাধারণ যাত্রীদের। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে পাণ্ডুয়া, পৌনে ৯টা নাগাদ খন্ন্যান ও ৯টা নাগাদ হুগলি স্টেশনে শুরু হয় রেল অবরোধ। রেললাইনে বসে পড়েন যাত্রীরা। অবরোধের জেরে আটকে পড়ে রেল কর্মীদের জন্য স্পেশাল ট্রেন। ঘণ্টাদুয়েক পর রেল পুলিশের আশ্বাসে হুগলি ও খন্ন্যান স্টেশনে অবরোধ ওঠে। এর আগে বৃহস্পতিবার রেল কর্মীদের জন্য স্পেশাল ট্রেনে সাধারণ যাত্রীদের ওঠা নিয়ে সোনারপুর স্টেশনে ধুন্ধুমার বাধে। অবরোধের পাশাপাশি, চলে ভাঙচুর। কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়। অন্যদিকে, রেল কর্মীদের জন্য স্পেশাল ট্রেনে সাধারণ যাত্রী ওঠা নিয়ে কড়া পদক্ষেপ রেলের। নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত। পরিচয়পত্র পরীক্ষার ব্যবস্থা। তৈরি করা হচ্ছে ফ্লাইং স্কোয়াড। রেলের দাবি, করোনা আবহে সাধারণ যাত্রীদের জন্য ট্রেন চালু হয়নি। রেল কর্মীদের স্পেশাল ট্রেনে সাধারণ যাত্রীরা উঠলে সামাজিক দূরত্ব-বিধি মানা সম্ভব হবে না। তাই নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে। এইপ্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের মতে, মেট্রো, বাস চলছে যখন কিছু ছাড় দিয়ে লোকাল ট্রেনও চালানো হোক।



















