কোম্পানি জানিয়েছে, নয়া সংস্করণের গাড়ির সড়কে মাইলেজ ১৫ লিটার প্রতি ঘন্টা।আকাশে এর মাইলেজ প্রতি ঘন্টায় ১২.৫ লিটার। একবারে এই গাড়ি ৮৭৫ কিমি উড়তে সক্ষম। সড়কে একাদিক্রমে ৭০০ কিলোমিটার চলতে পারে। দুদিন পরই এই গাড়ি সম্পর্কে বিস্তারিত জনসমক্ষে আনতে চলেছে কোম্পানি। কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, Aeromobil উড়ন্ত গাড়ির ডেলিভারি আগামী বছরের প্রথম দিকে শুরু হতে পারে। তবে পুরোটাই নির্ভর করছে এই গাড়ি তৈরির প্রক্রিয়ায় কোনও বিপত্তি না আসে তার ওপর। এই দাম যে অনেকটাই বেশি হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ফটো সৌজন্যে- AeroMobil
2/4
এর আগে ২০১৪-তে কোম্পানি এই গাড়ির একটি ডিজাইন Aeromobil flying car 3.0 প্রস্তুত করেছিল।নয়া গাড়ি ও ডিজাইনের সংশোধিত সংস্করণ, যাতে বেশ কিছু প্রযুক্তি সংক্রান্ত ঘাটতি দূর করা হয়েছে। গাড়ি তৈরিতে কী ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে তা কোম্পানির পক্ষ থেকে এখনও জানা যায়নি। কিন্তু কোম্পানির পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়েছে, Aeromobil একটি উড়ন্ত গাড়ি। এটি আদতে চারচাকার একটি গাড়ি। আরও জানানো হয়েছে, এই গাড়ি যাতে উড়তে পারে সেজন্য উন্নত ধরনের প্রোপেলেশন ব্যবহার করা হয়েছে। কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গাড়ি ও বিমান চালানোর প্রযুক্তির সঠিক মিশ্রণের মাধ্যমেই Aeromobil flying car তৈরি করা হয়েছে। দুই আসন বিশিষ্ট এই Aeromobil 3.0-তে Rotax 912 four-cylinder, air-cooled engine রয়েছে। এতে ৯৯ বিএইচপি পাওয়ার রযেছে, যার সাহায্যে প্রতি ঘন্টায় ২০০ কিমি গতিতে উড়তে পারে। সড়ক পথে এর সর্বোচ্চ গতি হবে ঘন্টায় ১৬০ কিমি। প্রথম যে মডেল দেখানো হয়েছিল, তাতে এই সব বৈশিষ্ট্য ছিল। নয়া মডেলে এসব ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। কিন্তু সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো বৈশিষ্ট্য হল যে, এর মাইলেজ সাধারণ গাড়ির মতোই। সাধারণ গাড়ির মাইলেজেই যদি উড়ন্ত গাড়ি হাতে চলে আসে তাহলে তার থেকে বেশি ভালো আর কী হতে পারে!
3/4
ইউরোপের দেশ স্লোভাকিয়ার কোম্পানি এরোমোবিল খুব শীঘ্রই এই গাড়ি হাজির করতে চলেছে। ২০ এপ্রিল মোনাকোয় আসন্ন Top Marques Show তে কোম্পানি প্রথমবার এই গাড়ি দুনিয়ার সামনে সর্বসমক্ষে প্রকাশ করতে চলেছে।কোম্পানির দাবি, শূন্যে এই গাড়ি প্রতি লিটারে ১২.৫ মাইলেজ রয়েছে।
4/4
শুধু এদেশই নয়, সারা বিশ্বেই রয়েছে যানজটের সমস্যা। যানজটে আটক থাকার সময় অনেকেই ভাবেন, এমন একটা গাড়ি হলে ভালো হত, যাতে উড়ে যাওয়া যায়! এই যানজটে রাস্তার মাঝখান থেকে বেশ খানিকটা উড়ে গিয়ে ফাঁকা রাস্তায় পড়তে পারলে ভালো হত! এই ভাবনা শুধু আর কল্পনাই নয়। তা বাস্তবে রূপ নিতে চলেছে। আসলে এই প্রকল্প নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই কাজ চলছে। কিন্তু খুব শীঘ্রই তা বাস্তব হতে চলেছে।