Kaushiki Amavsya 2026: আসছে কৌশিকী অমাবস্যা, গভীর রাতেই ঘটে এই ঘটনা, গায়ে কাঁটা দেবে, কবে পড়ছে তিথি?
মহাশ্মশানে সাধু-সন্ত ও তন্ত্রসাধকদেরও সমাগম হয়। বিভিন্ন ধর্মীয় আচার, পুজো ও সাধনার মাধ্যমে কৌশিকী অমাবস্যা পালন করা হয়।

কলকাতা : আসছে কৌশিকী অমাবস্যা। কালীভক্তদের কাছে কৌশিকী অমাবস্যা তিথিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । বিশেষ করে বীরভূম জেলার তারাপীঠ মন্দিরে ভক্তের ঢল নামে এই তিথিতে। প্রতি বছর এই বিশেষ তিথিতে মা তারার দর্শন ও পুজো দিতে দূর-দূরান্ত থেকে বহু ভক্তের সমাগম হয়। তবে এখন অনেক বাড়িতেও কৌশিকী অমাবস্যার পুজো হয়।
কৌশিকী অমাবস্যা ২০২৬ কবে?
পঞ্জিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে কৌশিকী অমাবস্যা পালিত হবে ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার। অমাবস্যা তিথি শুরু হবে ওই দিন সকাল ১০টা ১১ মিনিটে এবং শেষ হবে পরের দিন অর্থাৎ ১১ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে। তাই সূর্যোদয়ের সময় ধরলে, ১০ সেপ্টেম্বরই কৌশিকী অমাবস্যার প্রধান দিন হিসেবে বিবেচিত হবে। এই দিনেই মা তারার পুজো, সাধনা এবং বিভিন্ন বিশেষ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হবে , সম্ভবত।
ধর্মীয় বিশ্বাস ও প্রচলিত কাহিনি অনুযায়ী, কৌশিকী অমাবস্যার সঙ্গে সাধক বামাখ্যাপা ও মা তারার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কথিত আছে, তারাপীঠের মহাশ্মশানের শ্বেত শিমূলতলায় সাধনা করার সময় বামাখ্যাপা তপস্যায় সিদ্ধিলাভ করেন এবং মা তারা তাঁকে দর্শন দেন। এই বিশ্বাসই হাজার হাজার মানুষকে এই দিন তারাপীঠে টেনে নিয়ে যান। বিশেষ করে শাক্ত ও তন্ত্রসাধনার ক্ষেত্রে এই তিথিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।
ভক্তদের বিশ্বাস, এদিন ভক্তদের ডাকে সাড়া দেন মা তারা। এই দিনটিকেই তারা মায়ের আবির্ভাব দিবস হিসেবে পালন করা হয় । অনেকে আবার এই তিথিকে বলেন কৌশী অমাবস্যা। যে কোনও শুভ কাজে ব্যবহৃত হয় কুশ। এই দিনে সেই কুশ কাটা হয়। তাই একে কৌশী অমাবস্যাও বলে। বিশেষ পুজো উপলক্ষ্যে তারাপীঠে ভিড় তন্ত্রসাধকদের। দূরদূরান্ত থেকে এসেছেন ভক্তরাও।
কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠ মহাশ্মশান-এ বিশেষ ভিড় দেখা যায়। মা তারার পুজো ও দর্শনের জন্য দূর-দূরান্ত থেকে অগণিত ভক্ত তারাপীঠে পৌঁছন। এই বিশেষ রাতে মহাশ্মশানে সাধু-সন্ত ও তন্ত্রসাধকদেরও সমাগম হয়। বিভিন্ন ধর্মীয় আচার, পুজো ও সাধনার মাধ্যমে কৌশিকী অমাবস্যা পালন করা হয়।
কৌশিকী অমাবস্যার বিশেষ তাৎপর্য
ভক্তদের বিশ্বাস, এই বিশেষ তিথিতে মা তারার আরাধনা করলে জীবনের নানা বাধা-বিপত্তি দূর হয় এবং মায়ের আশীর্বাদ লাভ করা যায়। তন্ত্রসাধনার ক্ষেত্রেও এই রাতকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হয়।




















